হাটহাজারীতে তাবলীগ বিষয়ক সিদ্ধান্ত

 আজ (১০ ডিসেম্বর) দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসায় আল্লামা শফীর সভাপতিত্বে তাবলীগ বিষয়ক সমস্যা নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ১ ডিসেম্বর টঙ্গী মাঠে সা’দপন্থীদের হামলার বিষয় নিয়ে আলোচনা ছিলো এ বৈঠকে।

বাংলাদেশের শীর্ষ ওলামায়ে কেরামের সেখান থেকে তাবলীগ বিষয়ে ৫ টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

সিন্ধান্তসমূহ

০১. পহেলা ডিসেম্বর শনিবার টঙ্গী ময়দানে সংঘটিত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার না হওয়া পর্যন্ত জনাব ওয়াসিফুল ইসলাম, খান শাহাবুদ্দিন নাসিম, মাওলানা মোশাররফ হোসাইন ও ইউনুস সিকদার এবং তাদের অনুসারীদেরকে কাকরাইল মসজিদে ঢুকতে না দেয়ার কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

০২. সরকারের সাথে পরামর্শকৃত বিশ্ব ইজতেমার নির্ধারিত তারিখ ১৮, ১৯ ও ২০ জানুয়ারী ২০১৯ (প্রথম পর্ব) এবং ২৫, ২৬ ও ২৭ জানুয়ারী (দ্বিতীয় পর্ব) এখনি চুড়ান্ত করে ইজতেমার জন্যে ময়দান তৈরী করার সুযোগ দিতে হবে।

০৩. জনাব সা’দ এবং তাঁর বাংলাদেশি অনুসারী এতাআতী দলের বিষয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে সকল উলামায়ে কেরামের ঐক্যবদ্ধ ফাতাওয়া তৈরী করে ব্যাপকভাবে প্রচার করা।

০৪. দাওয়াত ও তাবলিগে সৃষ্ট সঙ্কটের ওজাহাত এবং টঙ্গী ময়দানের ঘটনার বিবরণ ও বাস্তবচিত্র তুলে ধরা অব্যাহত রাখা।

০৫. প্রত্যেক এলাকায় উলামায়ে কেরাম ও তাবলিগের সাথীরা সমন্বিতভাবে বেশির থেকে বেশি জামাত বের করার ফিকির করা এবং নামায ও দু’আর ইহতেমাম করা।
০৬. সা’দপন্থীরা নিজেদেরকে এতাআতী হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকে। সুতরাং যার এতাআতে থেকে টঙ্গী ময়দানে বর্বর হামলা চালিয়েছে- তা উদঘাটন করতঃ তাকে বিচারের আওতায় আনা।

০৭. আগামী সাতদিনের মধ্যে সরকারের কাছে পেশ করা দাবীসমূহ পূরণ না হলে পরবর্তীতে আমরা কঠোর কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবো।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের মজলিসে আমেলা (নির্বাহী কমিটি), মজলিসে খাস, সম্মিলিত কওমি শিক্ষাবোর্ড আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিয়াতিল কওমিয়ার শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও তাবলীগী মুরব্বিরা।

পাবলিক ভয়েস:

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন!
অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার নাম লিখুন!