শচীন টেন্ডুলকারের মেয়েকে হয়রানির দায়ে বাঙালি যুবক গ্রেফতার

শচীন টেন্ডুলকারের মেয়েকে হয়রানির দায়ে বাঙালি যুবক গ্রেফতার

শচীন টেন্ডুলকারের মেয়েআন্তর্জাতিক ডেস্ক
মেদিনীপুর : ভারতের সাবেক ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকারের মেয়ে সারাকে উত্যক্ত করার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়, পূর্ব মেদিনীপুরের দেবকুমার মাইতি নামে ৩২ বছর বয়স্ক এই বেকার ব্যক্তি কোনো উপায়ে শচীন টেন্ডুলকারের বাড়ি ও অফিসের ফোন নম্বর যোগাড় করেন এবং বার বার ফোন করতে থাকেন।পুলিশকে উদ্ধৃত করে ভারতের সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, গত ২রা জানুয়ারি মাইতি অন্তত ২০ বার শচীন টেন্ডুলকারের বাড়িতে ফোন করেন। তিনি সারা টেন্ডুলকারের সাথে কথা বলতে চান, তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন এবং তা না হলে অপহরণ করারও হুমকি দেন বলে রিপোর্টে বলা হয়।

এর পর বান্দ্রা থানায় এক মামলা করেন শচীন টেন্ডুলকার।এরপর পুলিশ অনুসন্ধান করে মেদিনীপুরে মাইতির অবস্থান চিহ্নিত করে, পরে তাকে গ্রেফতার করে মুম্বাইয়ে নিয়ে আসা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর সোমবার আদালতে হাজির করা হয়।

আদালতে হাজির করার পর মাইতি দাবি করেন, শচীন টেন্ডুলকার তার ‘শ্বশুর’।

সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট বলছে, মাইতি দাবি করেন তিনি একটি ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে গিয়ে ‘প্রথম দর্শনেই সারার প্রেমে পড়েন’। মাইতির পরিবার বলছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতার সমস্যায় আক্রান্ত।
কিভাবে মাইতি কিভাবে শচীন টেন্ডুলকারের বাড়ির ফোন নম্বর পেলেন, পুলিশ এখন তার তদন্ত করছে।

এর আগে ক্রিকেটের লিভিং লিজেন্ড শচীন টেন্ডুলকারের মেয়ে সারা টেন্ডুলকারকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ফেঁসে যান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এই যুবক।

দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্র জানায়, পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলের বাসিন্দা ওই যুবকের নাম দেবকুমার মাইতি। ১৫-২০ দিন আগে শচীনের মেয়েকে ফোন করে সে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। শচীনের মেয়ের নম্বর জোগাড় করতে অবশ্য বেশ কাঠখড় পোড়াতে হয় দেবকুমারকে। এ বিষয়ে সরাসরি শচীনের অফিসেও ফোন করেছিল সে। এর পরেই মুম্বাইয়ের বান্দ্রা থানায় অভিযোগ করেন শচীন।

অভিযোগের পর তদন্তে নেমে দেবকুমারের খোঁজ পায় পুলিশ। শনিবার রাতে মুম্বাই পুলিশের একটি দল ফোনে উত্ত্যক্ত করার দায়ে মহিষাদল থেকে তাকে গ্রেফতার করে। এ কাজে অবশ্য মহিষাদল থানার পুলিশ সাহায্য করে।

পরে তাকে হলদিয়া আদালতে পেশ করে ট্রানজিট রিমান্ডে মুম্বাই নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। রিমান্ডে কীভাবে দেবকুমার সারা ও শচীনের মোবাইল নম্বর পেল, তাও খতিয়ে দেখা হবে।

তবে দেবকুমারের পরিবারের দাবি, সে মানসিক ভারসাম্যহীন।

আরটিএনএন

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন!
অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার নাম লিখুন!