মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের অবদান অপরিসীম

মুজিবনগর দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মো. নাজমুল ইসলামমুজিবনগর দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মো. নাজমুল ইসলাম

মুজিবনগর সরকার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সমর্থন আদায়, শরণার্থী ব্যবস্থাপনা, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশবাসীর পাশে দাঁড়ানো ও তাঁদের মনে আশা সঞ্চারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। সর্বোপরি মুক্তিযুদ্ধকে সুচারুভাবে পরিচালিত করে সফল পরিসমাপ্তির দিকে ধাবিত করে। মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের অবদান অপরিসীম।

সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে মুজিবনগর দিবসের আলোচনায় এ কথা বলেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম। তিনি তাঁর বক্তব্যে মুজিবনগর দিবসের তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরে আরও উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার গঠিত হয়। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (পরবর্তীতে মুজিবনগর) মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন। এদিন বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। এ সরকার ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ঘোষিত স্বাধীনতাকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন ও অনুমোদন করে।

মুজিবনগর দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানের আলোচকেরামুজিবনগর দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানের আলোচকেরা

রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সংক্ষেপে তুলে ধরেন এবং বর্তমান প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানতে আগত সুধীদের উদ্বুদ্ধ করেন।
সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে বাংলাদেশ দূতাবাস যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন করেছে। দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাস প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি ও দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন। কোরআন থেকে তিলাওয়াত ও সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর দিনটি উপলক্ষে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনান দূতাবাসের কাউন্সেলর শেখ মো. শাহরিয়ার মোশাররফ ও দ্বিতীয় সচিব সায়মা রাজ্জাকী।

আলোচনা পর্বে আগত অতিথিদের মধ্যে থেকে মুজিবনগর দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন ড. ফরহাদ আলী খান, প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান, সিরাজুল হক খান রানা, নাজমুল হাছান খান, মিজানুর রহমান, ডা. তামান্না হোসেন খান, পলাশ পাল, সুমন হোসাইন, মো. রায়হান কিবরিয়া ও মো. জমির উদ্দীন প্রমুখ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোয় এনে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা, বিদেশি রাষ্ট্রসমূহের সমর্থন আদায় ও গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তিসহ সকল বিষয়ে মুজিবনগর সরকারের বলিষ্ঠ ও বিচক্ষণ নেতৃত্বের ওপর আলোকপাত করেন বক্তারা। বিজ্ঞপ্তি

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন!
অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার নাম লিখুন!