বিন সালমান যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের মেরুকরণ মাসুম খলিলী

বেশ ক’দিন ধরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের নতুন বিন্যাস নিয়ে কিছু গোপন সম্মেলনের বিষয় ফাঁস করা হচ্ছে। ফাঁস করা তথ্যে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের শেষ দিকে এক প্রমোদতরীতে ৫ দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব এক হয়ে ৬ জাতি একটি জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যার সামনে প্রতিপক্ষ হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে ইরান ও তুরস্ক এবং তাদের মিত্র শক্তিকে। যে ৬ জাতি জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় তার মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব ,ইসরাইল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্দান, বাহরাইন ও লিবিয়া। গোপন সম্মেলনের পরের ২ বছরের বেশি সময় ধরে মধ্যপ্রাচ্যে যেসব ঘটনা ঘটেছে তার মধ্যে এর প্রভাব অনেকখানি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

ট্রাম্প,বিন সালমান ও ত্রিপক্ষীয় জোট
লেবাননী বংশোদ্ভুত আমেরিকান ব্যবসায়ী জর্জ নাদের এই সম্মেলনটির আয়োজন করেছিলেন। এই ভদ্রলোক ছিলেন ট্রাম্পের নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহে যুক্ত এক ব্যক্তি। তিনি প্রমোদতরীতে আয়োজিত সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে ট্রাম্পের তহবিলে জমা দেন বলে অনেকের ধারণা। এই আয়োজনটি যখন চলে তখন পর্যন্ত ডেমোক্রেট প্রার্থি হিলারি ক্লিনটন সব জনমত জরিপে অগ্রগামি ছিলেন। কিন্তু ইসরাইল ও আরব এই দুই লবির গোপন প্রচেষ্টায় ডোনাল্ট ট্রাম্পের প্রচার প্রচারণা হঠাৎ চাঙ্গা হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রাশিয়ান সম্পৃক্ততা নিয়ে মুলার এখন যে তদন্ত পরিচালনা করছেন তার সাথে এই নতুন বিষয়টিও যুক্ত হয়েছে।
প্রমোদতরীর অন্যতম অংশগ্রহণকারী ক্ষমতাধর সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ওয়াশিংটন সফর শেষ করে দেশে ফিরে গেছেন। এই সফরে গুরুত্বপূর্ণ যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-তুরস্ক প্রভাব বলয়ের বিপরীতে সৌদি আরব-আমিরাত-ইসরাইল একটি ত্রিপক্ষীয় জোট করা।ইসরাইলী গোয়েন্দা সংস্থার সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক রক্ষাকারী অন লাইন পত্রিকা ডেবকা ফাইল এই খবরটি প্রকাশ করেছে।

সেই একই ধারাবাহিকতা
২০১৫ সালের প্রমোদতরীর বৈঠক এবং হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ট ট্রাম্পের সাথে বিন সালমানের বৈঠকের আলোচ্যসুচির মধ্যে বেশ ধারাবাহিকতা রয়েছে। প্রমোদতরীর বৈঠকে সে সময়ের ডেপুটি ক্রাউন প্রিন্স মোহামদ বিন সালমান, আমিরাতের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন জায়েদ, মিসরের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আবদুল ফাত্তাহ আল সিসি, বাহরাইনের প্রিন্স সালমান এবং জর্দানের বাদশাহ আবদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকের পর জর্দানের বাদশাহ আবদুল্লাহ আমেরিকান সিনেটের শুনানিতে আঞ্চলিক অস্থিরতার জন্য তুরস্ককে দায়ী করে বক্তব্য রেখেছিলেন। পরে জেরুসালেম ইস্যু নিয়ে সৌদি-মিসর-আমিরাত জর্দানকে বাদ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের সাথে গোপন সমঝোতা করায় ক্ষুব্ধ হয়ে বাদশাহ আবদুল্লাহ এই গ্রুপ থেকে দূরে সরে আসেন।
সৌদি রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা লাভের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি গোপন সমঝোতা ছিল যে রিয়াদ যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে আর এর বিপরীতে ওয়াশিংটন সৌদ পরিবারের ক্ষমতার গ্যারান্টি প্রদান করবে। ওবামার আমলে সেই সমঝোতার মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্র এর মধ্যে শেল অয়েল এবং জ্বালানি সাশ্রয় প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে মধ্যপ্রাচ্যের তেল নির্ভরতা কমিয়ে ফেলে। সৌদি রাজতন্ত্রের জ্বালানি নিরাপত্তার আর প্রয়োজন থাকেনি ওয়াশিংটনের। এই অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যে আরব বসন্ত সৃষ্টি হয়। একই সাথে ৬ জাতির সাথে পরমাণু চুক্তির পর ইরানের প্রভাব বাড়তে থাকে। মধ্যপ্রাচ্যের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার এই আন্দোলনের পেছনে সৌদি আরব ও তার মিত্ররা রাজতান্ত্রিক শাসনের অবসানের লক্ষণ দেখতে পায়। তারা তখন ক্ষমতার গ্যারান্টির জন্য বিকল্প উপায় সন্ধান শুরু করে।
এর মধ্যে আমিরাতের শক্তিমান ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন জায়েদ বহিষ্কৃত পিএলও নেতা মোহাম্মদ দাহলানের মাধ্যমে ইসরাইলের সাথে বিশেষ সম্পর্ক তৈরি করেন। আমিরাতের নিরাপত্তার বিনিময়ে ইসরাইলী স্বার্থ রক্ষার ব্যাপারে এক ধরনের সমঝোতা হয়। এই সমঝোতার আলোকে ইসরাইলের সাথে সরাসরি কুটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন না করেও সেখানে ইসরাইলের একটি মিশন খোলার অনুমতি দেয় আবুধাবি। অনানুষ্ঠানিকভাবে ইসরাইলের সাথে আবু ধাবির বিমান যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়। আমিরাতের নিরাপত্তার বিভিন্ন দায়িত্ব ইসরাইলী প্রতিষ্ঠানের উপর অর্পন করা হয়।
এদিকে বাদশাহ আবদুল্লাহর মৃত্যুর পর সালমান বিন আবদুল আজিজ বাদশাহ হলে তার তরুণ পূত্র মোহাম্মদ বিন সালমান ক্ষমতাধর হয়ে ওঠেন। প্রথমে তাকে করা হয় ডেপুটি ক্রাউন প্রিন্স। পরে মোহাম্মদ বিন নায়েফকে সরিয়ে তাকে ক্রাউন প্রিন্স করা হয় । এখন কার্যত বাদশাহ হিসাবে দেশ পরিচালনা করছেন বিন সালমান। তার এই উত্থানের পুরো সময় জোড়ে বিন জায়েদ তাকে পরামর্শ দেন এবং ইসরাইলের সাথে একটি বিশেষ সম্পর্ক তৈরিতে সহায়তা করেন।

দুটি এজেন্ডা বিন সালমানের
বিন সালমান এখন দুটি কাজ এক সাথে করতে চাইছেন। এর একটি হলো তার বাদশাহ হবার বিষয়টি নিশ্চিত করা। এর পথে থাকা সব ধরনের বাধা অপসারণ করা। আর দ্বিতীয়টি হলো সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও অখন্ডতা নিশ্চিত করা। এই দুই লক্ষ অর্জনের জন্য তিনি বিন জায়েদের সহযোগিতায় ইসরাইলের সাথে বিশেষ সমঝোতা প্রতিষ্ঠা করেন। এই সমঝোতার পেছনে দুটি শর্ত পূরণের বিষয় যুক্ত থাকে। প্রথমটি হলো জেরুসালেমকে ইসরাইলের কার্যকর রাজধানী করার ব্যাপারে সহায়তা করা। আর দ্বিতীয়টি হলো ইসরাইলের বাণিজ্যিক অর্থনৈতিক স্বার্থ নিশ্চিত করা।
প্রথমোক্ত বিষয়টি নিয়ে ইসরাইল-সৌদি আরব-আমিরাত-মিসর গোপন একটি সমঝোতার বিষয়ে এর আগে একাধিক রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে।জেরুসালেমের ব্যাপারে তুরস্কের আয়োজিত ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে এসব দেশ একবারে নিম্ন পর্যায়ের প্রতিনিধি পেশ করে। জনমতের বৈরিতার আশঙ্কা থাকায় প্রকাশ্যে ইসরাইলের রাজধানী করার বিষয়ে ভোট না দিলেও এটি কার্যকর করা জন্য গোপন সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হয়েছে। ইসরাইলের অর্থনৈতিক স্বার্থ পূরণের জন্য সিনাই ও এর আশ পাশের এলাকায় বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ডিজিটাল নগরী প্রতিষ্ঠার যে ঘোষণা বিন সালমান দিয়েছেন তার মধ্যে ইসরাইলকে ব্যাপক বাণিজ্যিক সুবিধা দেয়া হবে। সৌদি আরবের ভেতরেও যে আধুনিক পর্যটন নগরী প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে তাতেও ইসরাইলী কোম্পানিগুলোকে ব্যাপক বাণিজ্যিক সুবিধা দেয়া হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে তার রিয়াদ সফরের সময় দুটি বিষয় নিশ্চিত করা হয়েছে। এর একটি হলো অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার মাধ্যমে ওয়াশিংটনকে বড় অঙ্কের তহবিল যোগান দেয়া। দ্বিতীয়ত সেখানকার বড় কিছু অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পে বিনিয়োগ করে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থানে সহযোগিতা করা। বিন সালমানের এবারের সফরে এসব বিষয়ের খুটিনাটি চুড়ান্ত করা হচ্ছে। আর এই সমঝোতার ব্যাপারে বিন সালমান এতটাই আস্থাশীল হয়ে পড়েছেন যে তিনি এক সাক্ষাতকারে বলেছেন যে,মৃত্যু ছাড়া আর কোন কিছুই তাকে সৌদি আরবের বাদশাহ হওয়া ঠেকাতে পারবে না। ডেবকা ফাইলের তথ্য অনুসারে বিন জায়েদ জরুরিভাবে ওয়াশিংটন যেতে পারেন। এবং ইসরাইলের সাথে ত্রিপক্ষীয় জোট করার বিষয়টি চুড়ান্তকরণে আলোচনা করবেন।

ভেতর থেকে পাল্টে দেয়া হচ্ছে
বিন জায়েদ ও বিন সালমান দুই জনই মার্কিন-ইসরাইলের সাথে আঞ্চলিক সমঝোতা ও জোট তৈরির জন্য তাদের সাথে আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্য সম্পর্ক ছাড়াও স্ব স্ব দেশে ব্যাপক পুনর্গঠন কাজ শুরু করেছেন। এই কাজ আমিরাত আগে থেকেই শুরু করে সেখানকার ইসলামিক এনজিওগুলোর সব ধরনের তৎপরতা বন্ধ করে দিয়ে। মুসলিম ব্রাদারহুড ও অন্যান্য ইসলামী দলগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে এসব দলের নেতাদের গ্রেফতার করে জেলে ঢুকিয়েছে বিন জায়েদ। বিন সালমান তার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার পর সৌদি আরবেও একই কার্যক্রম চালাচ্ছেন।তিনি সৌদি শিক্ষার কারিকুলাম,বিচার ব্যবস্থা, প্রশাসনিক বিধি বিধানে পরিবর্তন আনছেন।অনেক বড় বড় আলেমকে কারাগারে পাঠিয়েছেন অথবা চাকরিচ্যুত করে নজরদারিতে রেখেছেন। সৌদি সমাজের কট্টর ধর্মীয় বিধানগুলোকে শিথিল করে সেক্যুলার সৌদিদের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে বসানো হচ্ছে।

হুসনি মোবারকের উপলব্ধি
প্রশ্ন হলো এই কর্মপন্থা সৌদি শাসকদের ক্ষমতায় থাকাকে কতখানি নিশ্চিত করতে পারবে? মিসরের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট হুসনি মোবারক সম্প্রতি রাশিয়ার গণমাধ্যমে একটি সাক্ষাতকার দিয়েছেন। এই সাক্ষাতকারে তিনি আমেরিকান অবিশ্বস্ততার প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন তিনি ক্ষমতায় থাকাকালে নানাভাবে তার উত্তরাধিকার হিসাবে পুত্র গামাল মোবারককে এগিয়ে নিয়ে আসার জন্য আমেরিকানরা উৎসাহিত করতো। এতে তিনি নিজ ছেলেকে সামনে এগিয়ে আনার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে থাকেন। আর এটি মিসরীয় সেনাবাহিনী কোনভাবেই মেনে নিতে পারেননি।এভাবে মোবারকের সাথে মিসরের ক্ষমতার মূল শক্তি সেনাবাহিনীর এক বিরাট দূরত্ব তৈরি হয়। আরব জাগরণের সময় তার বিরুদ্ধে গণ অভ্যুত্থান তীব্র হতে থাকলে সেনা নেতৃত্ব নিরবে মোবারকের পতন দেখতে থাকে। আর যখন মোবারক এটি উপলব্ধি করেন তখন তার কিছুই করার ছিল না। মোবারকের ধারণা সেই একই ফাঁদে পড়ছে সৌদি নেতৃত্ব।
সৌদি রাজতন্ত্রের ক্ষমতার মূল ভিত্তি হলো সেখানকার ধর্মীয় এস্টাবলিশমেন্ট। বিন সালমানের সামনে বাদশাহ হবার টোপ দিয়ে রাষ্ট্রের সর্বস্তরের নেতৃত্ব থেকে ইসলামিস্টদের বিদায় করে সেক্যুলারিস্টদের বসানো হয়েছে। এতে মোবারকের ক্ষমতার মূল ভিত্তি সেনাবাহিনী যেভাবে তার পেছন থেকে সরে গিয়েছিল সেই একইভাবে সৌদি ধর্মীয় এস্টাবলিশমেন্ট এক পর্যায়ে বাদশাহর পেছন থেকে সরে যাবে। তখন সৌদি রাজতন্ত্রের পতন রোধ করার মতো কোন সামাজিক শক্তি সক্রিয় থাকবে না।

স্বপ্ন পূরণ হবে কি?
হোসনি মোবারকের এই মূল্যায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেটিকে সামনে রাখার মতো অবস্থা বিন সালমান বা তার বৃদ্ধ পিতার নেই। তারা মক্কা মদিনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা ভাবছেন ইসরাইলের সহযোগিতায়। রিয়াদ একদিকে সৌদি আরব ও দেশটির পবিত্র স্থান সমূহের জন্য হুমকি হিসাবে বিবেচনা করছে ইরানকে। আর বন্ধু হিসাবে নিতে চাইছে ইসরাইল-আমেরিকাকে। ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প ও তার ইহুদি জামাতা কাম উপদেস্টা জরেদ কুশনার সৌদি-আমিরাত প্রকল্পের প্রধান পৃষ্ঠপোষক। অথচ নেতানিয়হুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলার কারণে যে কোন সময় তিনি ক্ষমতা এবং রাজনীতি দুটো থেকেই ছিটকে পড়তে পারেন। অন্য দিকে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মুলারের তদন্ত যেভাবে এগিয়ে চলেছে তাতে যে কোন সময়ে বিপত্তি ঘটতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের জনমত অনুসারে ৫০ ভাগ আমেরিকান চাইছে মধ্যমেয়াদি নির্বাচনে কংগ্রেসের উপর ডোমোক্রেট নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হোক। এর বিপরীতে মত রয়েছে ৪০ ভাগের। ফলে মধ্যমেয়াদি নির্বাচনে কংগ্রেসে অনেকটা নিশ্চিতভাবে ডেমোক্রেট নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হতে পারে। আর ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিসংশনের কোন প্রস্তাব যদি উত্থাপিত হয় সেটিকে সমর্থন করার মতো রিপাবরিকান নেতাও ক্রমেই বাড়ছে। বিন সালমান ও বিন জায়েদের ইসরাইলের সাথে জোট বেধে মিসরের সিসিকে সাথে নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে বড় রকমের নতুন বিন্যাস আনার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সক্ষম হবেন বলে মনে হয় না।
#

Image may contain: 2 people, suit
LikeShow more reactions

Comment

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন!
অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার নাম লিখুন!