ফের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ ভঙ্গ করলেন হাসিনা:“ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী বললেন, কোটারই দরকার নেই”

 

ডেস্ক রিপোর্ট

বিডিনিউজের একটি সংবাদের শিরোনাম, “ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী বললেন, কোটারই দরকার নেই”। খবরের ভেতরে বলা হয়েছে, “শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ক্ষুব্ধ হয়ে সরকারি চাকরিতে নিয়োগে কোটা পদ্ধতি একেবারেই তুলে দেওয়ার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে রাজধানীতে স্থবিরতা এবং সারাদেশে বিক্ষোভের মধ্যে বুধবার বিকালে সংসদে একথা বলেন সরকার প্রধান।”

এখানে স্পষ্ট যে, প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে দেশের নাগরিকদের একাংশের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে একটি সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে, কোটা বাতিল করা হবে। যদিও এই ঘোষণা এমনিতেই সংবিধান বিরোধী।

বুধবার এই জাতীয় সংসদে দুইবার সংবিধান লংঘন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রথমবার, কোটা পুরোপুরি বাতিল করার মাধ্যমে। আর দ্বিতীয়বার এই ঘোষণা ক্ষুব্ধ হয়ে দেয়ার মাধ্যমে।

বাংলাদেশের সংবিধানে ১৪৮ অনুচ্ছেদ মোতাবেক তৃতীয় তফশীলে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীর শপথ ও ঘোষণায় বলা আছে -‘আমি ………………………………………………….,সশ্রদ্ধচিত্তে শপথ (বা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা) করিতেছি যে, আমি আইন-অনুযায়ী বাংলাদেশের……….পদের কর্তব্য বিশ্বস্ততার সহিত পালন করিব;

আমি বাংলাদেশের প্রতি অকৃত্রিম বিশ্বাস ও আনুগত্য পোষণ করিব;

আমি সংবিধানের রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধান করিব;

এবং আমি ভীতি বা অনুগ্রহ, অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হইয়া সকলের প্রতি আইন অনুযায়ী যথাবিহীত আচরণ করিব।”

এই অনুচ্ছেদের লংঘন হয়েছে প্রধানমন্ত্রী ক্ষুব্ধ হয়ে ঘোষণা দেয়ার কারণে।

 

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন!
অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার নাম লিখুন!