প্যারিস বড় মসজিদ ,মানবতার এক উজ্জ্বল মিনার

শায়েখ বদরুল ইসলাম বিন হারুন,প্যারিস
বর্তমান ফ্রান্সে ইসলাম ও মসজিদ মাদরাসা নিয়ে যেভাবে ভয় ভীতি ছড়ানো হয়।দেখানো হয় ইসলামকে উগ্র ও অমানবিক হিসাবে।তার ইতিহাস ছিলো ভিন্ন।ফ্রান্স মসজিদের ইতিহাস বহু পুরাতন।1200 সালে বিজয়ী সেনা বীর সালাহ উদ্দিন আইয়ুবীর আদেশে ফ্রান্সের প্রথম মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
ফরাসি কালচারে প্রাচ্যবিদদের বিরাট অবদান আছে।তারা প্রাচ্যের সভ্যতাকে পশ্চিমাদের কাছে তুলে ধরেছেন।সমৃদ্ধ করছেন অর্থের সাথে জ্ঞান বিজ্ঞানের।মিশর আক্রমণে নেপোলিয়ন মূলত প্রাচ্যবিদদের কাজে লাগিয়েছিলেন।

আজকের ফ্রান্সে আড়াই হাজার মসজিদ ও সমপরিমাণ মাদ্রাসা সরকারি হিসেবে আছে।বেসরকারি হিসেবে সংখ্যা অনেক বেশি।

1970 সালে ফ্রান্সে মসজিদ সংখ্যা ছিলো মাত্র 100টি।প্যারিস বড় মসজিদের সাবেক রেক্টর দলিল বুবাকর বলেন-ফ্রান্সে মসজিদের সংখ্যা দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি ফরাসি সরকারকে অনুরোধ করেন যাতে পরিত্যক্ত গীর্জাগুলো মুসলমানদের মসজিদের জন্য প্রদান করা হয়।অথবা বিক্রি করা হয়।

ফ্রান্সে প্রতি 2500 জন মুসলমানদের জন্য একটি মসজিদ রয়েছে।যা অন্যান্য ধর্মের তুলনায় অতি সামান্য।
সরকারি গননা অনুযায়ী ফ্রান্সে রয়েছে ৪২ হাজার গির্জা। ২ হাজার পরিচালিত হয় পাবলিকের দ্বারা।আর ক্যাথলিকদের দ্বারা পরিচালিত হয় এক হাজার গির্জা।
আলজাজিরার রিপোর্ট অনুযায়ী ফ্রান্সে সব চেয়ে বেশি ধর্মীয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করে ইয়াহুদী জনগোষ্ঠী।এমনকি ফরাসিদের চেয়েও বেশি।তাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও অনেক বেশি।সাধীনতাও সিকিউরিটি পর্যাপ্ত।সেতুলনায় সেখানকার মুসলিম কমিউনিতে আছে বিভক্তি,সিকিউরিটির অভাব।আছে চাপ ও খবরদারি। সব শেষে ইসলামোফবিয়া।
(7/06/2007 আলজাজিরা নেট)

20/05/2020 আল-আরাবিয়্যা টিভি এক রিপোর্টে বলা হয়েছে যে,ক্রুসেড যুদ্ধের সুলতান সালাহ উদ্দিন আল আয়ুবীর সময় থেকে 1200 সালে ফ্রান্সে একটি মসজিদ স্থাপিত হয়েছিলো।যা piere d’anglure যিনি ক্রুসেভ যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।এক পর্যায়ে তিনি বন্ধি হয়ে সুলতান সালাহ উদ্দিনের দরবারে আসেন।তিনি চিন্তা চেতনায় ছিলেন অন্যান্য ক্রুসেডার থেকে ভিন্ন।সুলতানের মহান ব্যক্তিত্ব ও রাজপরিবারের সুমহান আদর্শে ছিলেন বিমুগ্ধ।তাই ভেতরে তিনি হয়েছিলেন হিদায়াতের আলোয় আলোকিত।তবে,তা গোপন রাখলেন।এক পর্যায়ে সুলতান তাকে কঠিন দুটি শর্তের মাধ্যমে মুক্তিপন স্বাক্ষর করিয়ে মুক্ত করে দিলেন।মুক্তি পেয়ে তিনি ছুটেন মাতৃভূমি ফ্রান্সের দিকে।সেখান থেকে টাকা নিয়ে আবার ফিরলেন সুলতানের উদ্দেশ্যে।রাস্তায় ডাকাতের কবলে পড়েন।একটি চোখ ও হারান।অবশেষ তিনি এসে পৌছেন সুলতানের দরবারে।সুলতান তার এমন চারিত্রিক সৌন্দর্যে বিমুগ্ধ হন।তাকে তার মুক্তিপনের সব টাকা ফেরত দেন এবং সেই টাকা দিয়ে দেশে ফিরে একটি মসজিদ নির্মাণের অনুরোধ করেন। Anglure তার সেই ওয়াদা রক্ষা করেছিলেন।ফ্রান্সের ইতিহাসে সর্র প্রথম মসজিদটি তার বাড়ির জমিতে নির্মাণ করেন।

যদিও অনেক ঐতিহাসিক এ বর্ণনার উপর একমত হতে পারেন নি।
(مساجد فرنسا تاريخ من التسامح منذ صلاح الدين الأيوبي. الغربية نت .د.وسام كيروز
06/10/2017)

পরবর্তিতে মসজিদের প্রাচীনতম ইতিহাস গায়েব করা হলেও ঐতিহাসিক গন ঐ এলাকার নাম থেকে তার প্রমাণ পেতে কষ্ট হয়নি।এখনো এই এলাকার একটি রাস্তার নাম রয়েছে মোহাম্মদ।ফরাসিতে mohammed কে লেখা হয় mohamet।ফ্রান্সের নিম্ন বর্ণিত ঠিকানাই ঐতিহাসিক এই প্রমাণের মূল ভিত্তি।গুগলে mosquée de mohamet buzacy লেখলে ফরাসী ভাষায় তার ইতিহাস পেয়ে যাবেন।মসজিদটির ছবি ও রয়েছে।

Rue de mohamet-Ardennes.
Buzancy. France.

যা প্রমাণ বহণ করে যে,মসজিদটির নথিপত্র ধ্বংস করা হলেও তার অবশিষ্টাংশ বলছে এখানে 1200 সালে ইসলামের আগমন হয়েছিল।
(بوابة العين.اول مسجد بني في فرانسا
16/11/2017)

প্রসিদ্ধ এবং পুরাতন মসজিদ হিসেবে ফ্রান্সের Saint Denis মসজিদটির ইতিহাস পাওয়া যায়।যা 1905 সালে স্থাপিত হয়েছে।কিন্ত ইতিহাস খ্যাত এবং স্বীকৃত মসজিদটি হচ্ছে প্যারিস বড় মসজিদ।যা 1926 সালে স্থাপিত।এবার আমরা ফ্রান্সের ইতিহাস খ্যাত বড় মসজিদ নিয়ে আলোচনা করবো।

প্যারিস বড় মসজিদ ,মানবতার এক উজ্জ্বল মিনার
হাজারো আত্মত্যাগ,ফরাসী জাতির মুক্তিযোদ্ধা মুসলমানদের রক্তের নজরানা হিসেবে যে মসজিদটির ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে।শত শত মানবিকতার উদাহরণ হয়ে আজও স্বগৌরবে দাড়িয়ে আছে প্যারিস বড় মসজিদ।সত্য ও ন্যায়ের জন্য জাতি ধর্ম নির্বিশেষে মুসলমানরা অকাতরে জীবনবাজি রাখতে পারে,তার প্রমাণ বড় মসজিদ।মুসলমানরা শুধু আশ্রিত নয়;তারা মিশে আছে ফ্রান্সের মাটি ও মানুষের সাথে।তাই ফ্রান্সের হাজার হাজার শহীদ মিনার স্বাক্ষী হয়ে আছে,যেমন স্বাক্ষী রয়েছে প্যারিস বড় মসজিদটি

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফ্রান্সের পক্ষে জার্মানদের বিপক্ষে সসশ্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো ফ্রান্সের কমিউনিটির মুসলিমরা।যুদ্ধে ফ্রান্সের ইতিহাস ঐতিহ্য রক্ষা হয়।তাই ,পাচ লক্ষ ফ্রান্ক ফরাসি সরকার মুসলমানদের প্রদান করছিলো মসজিদ নির্মাণ করার জন্য।ফরাসি সরকার দান করেছে 7500 স্কয়ার ফিট জায়গা মসজিদ এবং সাথে ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার জন্য।অন্যদিকে বহু মুসলিম দেশথেকেও এসেছিলো মসজিদ নির্মাণের অনুদান।প্যারিস বড় মসজিদ স্থাপিত হয় 15/07/1926 ।

বিশ্ববিখ্যাত মুসলিম স্কলারদের মধ্য খুৎবা প্রদান করেছেন যারা-

*আহমদ বিন হাজ আল ইয়াসি।

*শায়েখ আহমদ বিন গিরবিত।

*শায়েখ হামজা আবু বকর।

*শায়েখ তিজানি হাদ্বাম।

*শায়েখ দালিল বুবাকর,যিনি মসজিদের সাবেক রেক্টর।

প্যারিসের প্রাচীন ও সর্ববৃহৎ ইসলামিক কেন্দ্র

প্যারিস মসজিদ তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আজ অবধি মুসলিম,অমুসলিম কমিউনিটির মধ্যে সামাজিক ও ধর্মীয়,জনকল্যাণে নিবেদিত আছে।
যেসব কার্যক্রমের জন্য আজ প্যারিস মসজিদের সুখ্যাতি রয়েছে তা নিম্নে দেয়া হলো-

১-মসজিদটিকে ইয়াহুদীরা আজও শ্রদ্ধার চোখে দেখে।হাজার হাজার ইয়াহুদী জনগোষ্ঠীর
নবজীবনে সহায়তার হাত ছিলো এই মসজিদের।

২-সভা সেমিনারের মধ্য দিয়ে ধর্মের মর্মবাণী প্রচার করে চলছে।

৩-ইসলামী তাহজীব তামাদ্দুন শিক্ষা এবং তা বিশ্বময় ছড়িয়ে দিতে যৌগ্য দায়ি ইলালাল্লাহ তৈরী করা।

৪-মুসলিম,অমুসলিম সংসয়বাদিদের জন্য রয়েছে উন্মুক্ত আলোচনার ব্যাবস্থা।

৫-ইমাম প্রশিক্ষণের ব্যাবস্থা।

৬-যুবক যুবতিদের ধর্মীয় ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে উৎসাহ ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া।

৭-এখানে আছে বিশাল গবেষনা সেন্টার।

৮-আছে ফতওয়া বোর্ড যেখানে বিশ্বের নামকরা গবেষকগন ফতোয়া প্রদান করে থাকেন।

৯-মুসলিম বিবাহ সেন্টার ও সার্টিফিকেট প্রদান

১০-ফরাসি সরকারের সাথে লিয়াজো রক্ষার জন্য একটি ডিপ্লমেটিক প্রতিনিধি রয়ে মসজিদের আওতায়।

১১-নতুন মুসলমানদের জন্য রয়েছে ফরম্যাশঁনের সুব্যাবস্থা ও তাদের সুখ দুঃখে সহযোগিতা।

১২-ইসলামোফুবিয়া রোধে আন্তধর্মীয় ডিবেটের উন্মুক্ত আলোচনার সুযোগ।

১৩-গির্জা, সিনাগগ ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে মসজিদ কমিটি।
(العين -محمد جعفر و دانيا عربان
24/4/3017)

আল গাজালি ইনস্টিটিউট

প্যারিস মসজিদের অধীনে রয়েছে আল গাজালি ইনস্টিটিউট।ইসলামিক স্টাডিজ ,ফিকহ,ইতিহাস ও আরবি সাহিত্য সহ নানাবিধ শাখা রয়েছে।সাথে আছে ইমাম ও দায়ি ইলালাল্লাহর বিশেষ উচ্চতর ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট কোর্স।ভবিষ্যতে এটি একটি পরিপূর্ণ ইউনিভার্সিটিতে রূপান্তরিত করার নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছেন ইনস্টিটিউট এর প্রিন্সিপাল ডঃ জালুল সিদ্দিকী।

এছাড়া ফরাসি ধর্মীয় স্কলার তৈরি,যারা ফরাসি মূলধারার সাথে মিলে মিশে ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হবে।গাজালি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা থেকে এখন পর্যন্ত বহু ধর্মীয় নেতৃত্ব তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

সলিডারিটি কার্যক্রমে প্যারিস বড় মসজিদের ভূমিকা-

মানবিক কাজে প্যারিস বড় মসজিদটি একটি মাইল ফলক হয়ে আছে।

১-দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মান ন্যাথসী বাহিনীর কবল থেকে সুরক্ষা দিতে মসজিদের ভুমিকা ছিলো মানবিকতার এক উজ্জ্বল নমুনা।1600 ইয়াহুদীকে মসজিদে গোপনে আশ্রয় প্রদান করা হয়েছিলো।

২-বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন এ মহা দূর্দিনে 650টি পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত খাদ্য,নগদ অর্থ সংগ্রহ করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছিলো।
৩-মসজিদ ফান্ডে অর্থ আসতো মূলত ফরাসি মুসলিম ও অমুসলিম এবং আরব ও আফ্রিকান মুসলিম দেশগুলো থেকে।এবং তার পরিমাণ ছিলো দুইলক্ষ ইউরো।

(قصة مسجد الكبير بباريس-رحام عبد الله
08/05/2019)

৪-জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য উন্মুক্ত সভা সমিতির জন্য মসজিদের একটি বিশাল হল রয়েছে।

৫-যুবকদের মধ্য কর্মসংস্থানের সহায়তা ও জীবনমুখি বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করা হয়।

৬-বিবাহ উপযুক্ত যুবক যুবতিদের জন্য ঝণ ও এককালীন সহযোগিতার ব্যাবস্থা রাখা হয়েছে যাতে করে তারা বিবাহ বহির্ভূত পাপের দিকে ধাবিত না হয়।

৭-প্রতিবেশির প্রতি যত্নবান হতে ইসলামের মৌলিক শিক্ষার প্রতি সচেতনতা প্রদান করা হয়।
(دانيا عريان-محمد جعفر-
المسجد الكبير تعرف علي المقصد الأول لمسلمي فرنسا
24/04/2017)

ইয়াহুদীদের প্রতি মানবিক আচরণের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলারের নির্দেশ ছিলো পৃথিবী থেকে ইয়াহুদীদের সমূলে ধ্বংস করা।তাদের বৃদ্ধ ও শিশুদেরকেও মেরে ফেলা।বিশেষত ফ্রান্সে যারা আশ্রিত তাদেরকে কোন অবস্থাতেই ছাড় না দেয়া।হিটলারের বিশেষ বাহিনী যেমন,SS এবং Schutzsteffel ও Heinrich Himmler এরা ছিলো খুবই নির্দয়।এ সময় ফরাসি মুসলমানরা এগিয়ে আসে ইয়াহুদী বৃদ্ধা নারী,শিশু ও অসহায়দের রক্ষায়।প্যারিস বড় মসজিদ গোপনে তাদেরকে মসজিদে আশ্রয় দিতো।তাদেরকে ভুয়া মুসলিম সনদ দিয়ে বাহিরে বের হতে সহায়তা করতো।তাদের থাকা খাওয়ার সুবন্ধোবস্ত করতো।
সে সময়ের ইমাম আব্দুল কাদের মাসলীর ভূমিকা ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে ।ইয়াহুদীদেকে ভুয়া মুসলিম সনদ দেয়ার অপরাধে তাকে জার্মান বাহিনী গ্রেফতার করে।তিনি ছিলেন মসজিদের বড় পাচ ইমামের এক জন। তার সাথে ছিলেন kaddor benghabrit ।

ইমাম আব্দুল কাদেরকে নাতসি বাহিনী গ্রেফতার করে প্রথমে সেনাবাহিনী Bordeaux জেলে নিয়ে যায়।পরে তাকে জার্মান gestapo জেলে 1944 স্থানান্তরিত করে।তার পর তাকে Munich এর অদূরে Dachau তে নিয়ে নির্মম অত্যাচার করা হয়।তাকে তার সহযোগিদের ব্যাপারে অবস্থান বলে দিতে ক্রমাগত নির্যাতন চালানো হয়।এই অত্যাচারে তার শারিরীক ওজন কমে মাত্র ত্রিশ কেজিতে পৌছে।এভাবে তাকে ধুকে ধুকে মারা হয়।

(هكذا أنقذ مسجد باريس الكبير اليهود من هتلر
طه عبد الناصر رمضان
العربية نت
19/09/2020)
অবশেষে
প্যারিস মসজিদ শুধু ইতিহাসের অধ্যায় নয়,এর সাথে জড়িত আছে হাজার হাজার মুসলিম শহীদদের আত্মা।জাতি, ধর্ম ,বর্ণ নির্বিশেষে মুসলমানরা ন্যায়কে প্রাধান্য দেয়।অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পিছপা হয়না।

আর মানবিকতার জন্য কাজ করতে স্থান কাল পাত্রের কোন পরওয়া ছিলো না তাদের।যা আমরা ইয়াহুদীদের ব্যাপারে দেখেছি।

আমরা সাক্ষাৎ পেয়েছি সালাহ উদ্দিন আয়ুবীর মহান হৃদয়ের।যা একজন ফরাসিকে কীভাবে আকৃষ্ট করেছিল।তার অপরাধ ক্ষমা করে দিয়েছিলেন এবং মুক্তিপনের টাকা তাকে ফেরত দিয়ে ফ্রান্সের ইতিহাসে প্রথম মসজিদটি নির্মাণ করতে অনুরোধ করেছিলেন।

মসজিদটির সুরক্ষা না হলেও সেখানে তার নিশানা স্বগৌরবে দাড়িয়ে আছে।এখানে আজও মোহাম্মদ সঃ এর নামে একটি রাস্তার নাম রয়েছে।
(লেখক শায়েখ বদরুল ইসলাম বিন হারুন,এম সি ইনস্টিটিউট ফ্রান্সের পরিচালক)

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন!
অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার নাম লিখুন!