প্যারিসস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে উন্নয়ন মেলা উদযাপিত

বাংলাদেশ দূতাবাস, প্যারিস আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় উন্নয়ন মেলা ২০১৮ আয়োজন করে। এ আয়োজনে ফ্রান্সে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এরপর, ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর রাষ্ট্রদূত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন তাঁর স্বাগত ভাষণের প্রারম্ভে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তিনি স্বাধীনতা ও মুক্তির যে ডাক দিয়েছিলেন তার মধ্যে নিহিত ছিল জাতির মুক্তি ও সোনার বাংলা গড়ে তোলার স্বপ্ন। জাতির পিতার সেই আরাধ্য স্বপ্ন বাস্তবায়নে সম্মুখ থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁরই সুযোগ্য উত্তরসূরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিগত প্রায় এক দশকে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক সকল ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করে চলেছে- হয়ে উঠেছে বিশ্বের উন্নয়ন বিস্ময়। কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও অর্জিত হয়েছে উল্লেখযোগ্য সাফল্য। নারীর ক্ষমতায়ন, লিঙ্গ সমতা, জলবায়ু সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যখাত, তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে এবং বিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম ও মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন।

 

ফ্রান্স প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের ভূমিকা শীর্ষক একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা এ সভায় বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের বিভিন্ন অবদানের কথা তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে আরও বেশি করে সম্পৃক্ত হবার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়া প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে দূতাবাসের করণীয় বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রবাসী অনুষ্ঠানে আগত প্রবাসীরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা মান্যবর রাষ্ট্রদূতের কাছে তুলে ধরেন। মান্যবর রাষ্ট্রদূত প্রবাসীদের কল্যাণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ বর্ণনা করে তাদের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশের উন্নয়ন বিষয়ক কয়েকটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। বাংলাদেশের অর্জিত অর্থনৈতিক উন্নয়নের নানান দিক সম্বলিত একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। পরিশেষে, স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবার পরিবেশন করা হয়।(PR)

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন!
অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার নাম লিখুন!