তুরস্ক-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা : সিরিয়ায় একসাথে কাজের অঙ্গীকার

তুরস্ক-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা : সিরিয়ায় একসাথে কাজের অঙ্গীকার

তুরস্ক-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা : সিরিয়ায় একসাথে কাজের অঙ্গীকার

 

 

 

 

 

 

তুরস্ক-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা : সিরিয়ায় একসাথে কাজের অঙ্গীকার

সিরিয়ায় একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়েছে আমেরিকা ও তুরস্ক। কুর্দি গেরিলা গোষ্ঠী ওয়াইপিজি’র বিরুদ্ধে তুরস্কের সামরিক অভিযান নিয়ে কিছুদিন ধরে দু দেশের মধ্যে টানাপড়েন চলার পর এই সমঝোতা হলো।

তুরস্কের রাজধানী আংকারায় যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন ও তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসওগ্লু এ ঘোষণা দেন। তারা জানান, যেসব ইস্যুতে দু পক্ষের মধ্যে টানাপড়েন দেখা দিয়েছিল সেগুলো মিটমাট করতে আংকারা এবং ওয়াশিংটন একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করবে।

টিলারসন বলেন, আমরা এখন আর একা কিছু করব না। আমরা একসঙ্গে কাজ করব এবং এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের সামনে কিছু ভালো পথ রয়েছে। সিরিয়ায় ওয়াইপিজি’র বিরুদ্ধে কথিত সামরিক অভিযান ‘অলিভ ব্রাঞ্চ’ নিয়ে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে মেভলুত চাভুসওগ্লু বলেন, সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়ে দুপক্ষ একমত হয়েছে। তিনি বলেন, তুরস্ক ও আমেরিকার মধ্যকার সম্পর্ক জটিল অবস্থায় চলে গিয়েছিল কিন্তু সেখান থেকে বেরিয়ে আসার উপায় নিয়ে কাজ করবে ওয়াশিংটন ও আঙ্কারা।

গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে- সিরিয়ার মানবিজ এলাকায় আমেরিকার পাশাপাশি তুরস্কের সেনা মোতায়েন রাখার বিষয়ে আংকারা প্রস্তাব দিয়েছে। বিষয়টি আমেরিকা বিবেচনা করছে বলে তুরস্কের একটি সূত্র দাবি করেছে।

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান কাজ সম্পর্কে জানালো সিরিয়া

জাতিসঙ্ঘে নিযুক্ত সিরিয়ার রাষ্ট্রদূত বাশার আল-জাফারি বলেছেন, আমেরিকার প্রধান কাজ হচ্ছে সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করা। তিনি বলেন, কথিত আন্তর্জাতিক জোট গঠনের মাধ্যমে আামেরিকা উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে তারা সিরিয়ায় সন্ত্রাসীদেরকে সমর্থন দিচ্ছে।

জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদে বৃহস্পতিবার দেয়া এক বিবৃতিতে বাশার আল-জাফারি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সিরিয়ায় মার্কিন সেনা মোতায়েন করে আমেরিকা নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব ও জাতিসঙ্ঘ সনদ লঙ্ঘন করেছে।

সিরিয়ার ঘটনাবলী ও বাস্তবতা বিকৃত করার জন্য তিনি আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্সকে অভিযুক্ত করেন। সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি এসব দেশের মদদের কারণে সিরিয়ায় যে মানবিক দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে সে বিষয়ে জনমতকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য এসব দেশ গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বাশার আল-জাফারি বলেন, গত ৮ ফেব্রুয়ারি দেইর আজ-যোর প্রদেশে সরকারপন্থি যোদ্ধাদের ওপর মার্কিন হামলার মাধ্যমে নতুন করে প্রমাণ হয়েছে যে, আমেরিকা সন্ত্রাসীদের সমর্থন করে।সূত্র :নয়া দিগন্ত অনলাইন

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন!
অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার নাম লিখুন!