ট্রাম্পের নির্দেশেই দুই নারীকে অর্থ দিয়েছি: কোহেন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশেই তার সঙ্গে সম্পর্ক থাকা দুই নারীকে অর্থপ্রদান করেছেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ট্রাম্পের সাবেক ব্যক্তিগত আইনজীবী মাইকেল কোহেন। ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ওই দুই নারীকে ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে মুখ না খুলতে এই অর্থ প্রদান করা হয়। মঙ্গলবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এতথ্য দেন তিনি। ৫১বছর বয়সী কোহেন ম্যানহাটনের একটি আদালতে কর ফাঁকি, ব্যাংক জালিয়াতি ও নির্বাচনের প্রচারণায় অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘনসহ তার বিরুদ্ধে ওঠা মোট আটটি অভিযোগের ওপর নিজের স্বপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। তবে কোহেন আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে একবারও ট্রাম্পের নাম উল্লেখ না করলেও তার আইনজীবী ল্যানি ডেভিস জানান, তিনি যাকিছু করেছেন, ট্রাম্পের নির্দেশেই করেছেন। ডেভিস এক বিবৃতিতে বলেন, আজ আদালতে কোহেন দাঁড়িয়ে আছেন এবং শপথ নিয়ে নিজের সাক্ষ্যে বলেছেন যে, ট্রাম্পই নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত রাখতে তাকে ওই দুই নারীকে অর্থপ্রদান সংক্রান্ত অপরাধটি করতে বাধ্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘এই অর্থপ্রদান যদি কোহেনের জন্য অপরাধ হয়ে থাকে, তবে তা কেন ট্রাম্পের জন্যেও অপরাধ বলে গণ্য হবে না?’ প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের নির্বাচন সামনে রেখে উল্লেখিত ওই দুই নারীর সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ব্যক্তিগত আইনজীবী কোহেনকে দিয়ে বিশাল অংকের অর্থ লেনদেন করেন ট্রাম্প। এরমধ্যে একজন পর্নতারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলস, যাকে ১লাখ ৩০হাজার মার্কিন ডলার এবং অন্যজন সাবেক প্লেবয় মডেল ক্যারেন ম্যাকডুগাল, যাকে দেওয়া হয়েছিলো ১লাখ ৫০হাজার মার্কিন ডলার। যদিও ট্রাম্প বরাবরই অর্থপ্রদান ও তাদের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে এসেছেন। এমনকি কোহেন আদালতে তার বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণায় অর্থ সংক্রান্ত নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে সাক্ষ্য দিলেও পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় এক সমাবেশে যোগ দিয়ে এবিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি ট্রাম্প। রয়টার্স

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন!
অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার নাম লিখুন!