কিশোরকণ্ঠ সাহিত্য পুরস্কার’২০১৮ ঘোষণা

জাতীয় শিশু-কিশোর পত্রিকা মাসিক নতুন কিশোরকণ্ঠ এর পক্ষ থেকে কিশোরকণ্ঠ সাহিত্যপুরস্কার২০১৮ ঘোষণা করা হয়েছে।এবছর চারটি ক্যাটাগরিতে চারজনকে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।  মনোনীতরা হলেন, শাহ আবদুল হান্নান(ইতিহাস-ঐতিহ্যে), কবি কেজি মোস্তফা(শিশুসাহিত্য), এবনে গোলাম সামাদ(সংস্কৃতিওশিল্পকলা) এবং অধ্যাপক মুহম্মদ মতিউর রহমান(প্রবন্ধওগবেষণা)।

কিশোরকণ্ঠের নির্বাহী কমিটির বৈঠকে পত্রিকার সম্পাদক কবি মোশাররফ হোসেনখান এ পুরস্কার ঘোষণা করেন।বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিতি ছিলেন শিশুসাহিত্যিক ও গবেষক মাহফুজুর রহমান আখন্দ, কিশোরকণ্ঠ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সালাউদ্দীন আইয়ুবী, সহকারী সম্পাদক ইমাম হোসেন ও তোফাজ্জল হোসাইন প্রমূখ।

শাহ আব্দুল হান্নান ১৯৩৯ সালের ১লাজানুয়ারি ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।তিনি ১৯৫৯সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক এবং ১৯৬১ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।অবসরপ্রাপ্ত সচিব শাহ আবদুল হান্নান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রাণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।তিনি ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিষয়ে গবেষণায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। ‘দেশ, সমাজ ও রাজনীতি’, ‘দর্শন ও কর্মকৌশল’, ‘ল’ ইকোনোমিক এন্ড হিস্ট্রি’ তাঁর উল্লেখ যোগ্যগ্রন্থ।

কবি কেজি মোস্তফা শিশু সাহিত্যসহ বাংলাসাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বিশেষ অবদান রাখেন।পাশাপাশি তিনি সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন।তারজন্ম১জুলাই১৯৩৭সালে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানায়।১৯৬০সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ‘মজার ছড়া শিশুরপড়া’ ছাড়া ওতাঁর উল্লেখযোগ্য শিশুতোষ গ্রন্থ রয়েছে।

এবনে গোলাম সামাদ বরেণ্যশিক্ষাবীদ ও কলামিস্ট।তারজন্ম২৯ডিসেম্বর১৯২৯ সালে রাজশাহী শহরে।তিনি সংস্কৃতিওশিল্পকলা বিষয়ে গবেষণাতে অনন্য অবদান রাখেন। ‘শিল্পকলার ইতিকথা’ এবং ‘মানুষ ও তার শিল্পকলা’ তাঁরউল্লেখযোগ্য দুটি গ্রন্থ।

অধ্যাপক মুহম্মদ মতিউর রহমানের জন্ম১৮ডিসেম্বর, ১৯৩৭ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানার চর নরিনা গ্রামে।দীর্ঘ দিন প্রবাসেজীবন যাপন করেছেন।তিনি বাংলাভাষা ও সাহিত্যের মৌলিক বিষয়সমূহে গবেষণা গ্রন্থপ্রণয়ন করেন।সেই সাথে শিশু-কিশোরদের উপযোগী প্রবন্ধ সাহিত্য রচনায় তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে।কর্মজীবনে তিনি ১৯৬২-৭৭পর্যন্ত ঢাকাস্থ সিদ্ধেশ্বরী কলেজে অধ্যাপক ১৯৭৭-৯৬পর্যন্ত দুবাই চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিতে প্রকাশনা বিভাগে সম্পাদক এবং পরবর্তীতে ২০০৩-০৯পর্যন্ত এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বাংলা বিভাগের প্রফেসর ও চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ‘মহৎ যাদের জীবন কথা’, ‘ছোটদের গল্প’ এবং ‘কিশোরগল্প’ তাঁরউল্লেখ যোগ্য শিশুসাহিত্য।

উল্লেখ্য পুরস্কারে মনোনীত প্রত্যেককে নগদঅর্থ, সম্মাননা ক্রেস্ট ওসনদ পত্রসহ বিভিন্ন উপহারসামগ্রী প্রদানকরাহবে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮,শুক্রবার,

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন!
অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার নাম লিখুন!