এরদোগানের কথাতেই সিরিয়া থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা ট্রাম্পের!সিএনএন

সিরিয়া: সম্প্রতি এরদোগানের সাথে ফোনালাপের পর সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এর এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

ফোনালাপে এরদোগানকে ট্রাম্প বলেছেন, আমাদের কাজ শেষ, সিরিয়া এখন পুরোটাই আপনার।

এরদোগানের কথাতেই সিরিয়া থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা ট্রাম্পের!

সিরিয়া: সম্প্রতি এরদোগানের সাথে ফোনালাপের পর সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এর এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

ফোনালাপে এরদোগানকে ট্রাম্প বলেছেন, আমাদের কাজ শেষ, সিরিয়া এখন পুরোটাই আপনার।

ট্রাম্প প্রশাসনের এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, সিরিয়া ও ইরাকে ‍মার্কিন সেনারা অবস্থান করায় কি কি সংকট তৈরি হয়েছে সেই বিষয়ে ট্রাম্পকে ব্যাখ্যা দিচ্ছিলেন এরদোগান। এতে ট্রাম্প অস্বস্তিবোধ করেন।

এরদোগান বলেন, ১৪ ডিসেম্বর ট্রাম্পের সঙ্গে কথা হয় তার। তিনি সেসময় ট্রাম্পকে বলেন যে এখন মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহার করে দেওয়া উচিত। তিনি ট্রাম্পকে আশ্বস্ত করেন যে তুরস্ক আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখবে। হোয়াইট হাউসের এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, এরদোগান ট্রাম্পকে ‘কথা’ দিয়েছেন যে তিনি আইএস দমন করবেন।

তিনি বলেন, ‘বন্ধু হিসেবে আমি আপনাকে কথা দিচ্ছি।

এরদোয়ানের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছিলো তিনি ট্রাম্পকে বলেছিলেন যে তিনি সিরিয়া থেকে আইএসকে উৎখাত করতে পারেন।

তিনি বলেন, ‘ট্রাম্পের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেছিলেন যে আমি আইএস দমন করতে পারবো কি না। আমি বলেছি আমি আগেও এমনটা করেছি। আপনার সহায়তা পেলে এবারও সম্ভব।’ এরপরই যুক্তরাষ্ট্র সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয় বলে দাবি করেন এরদোগান।

তিনি বলেন, ‘ফোনালাপে আইএস দমনের যেই পরিকল্পনা হয়েছে সেই অনুযায়ী কাজও শুরু করে দিয়েছি আমরা।এরপর রবিবার আবারও ট্রাম্প ও এরদোয়ানের ফোনে কথা হয়।

এক টুইটবার্তায় ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা আইএস নিয়ে কথা বলেছি, সিরিয়ায় আমাদের পারষ্পরিক সহযোগিতা, ধীরে ধীরে সেখান থেকে সেনা প্রত্যাহার নিয়ে কথা বলেছি। এছাড়া বাণিজ্য নিয়েও কথা হয়েছে আমাদের।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়ে সংশ্লিষ্টদের বিস্মিত করেছেন। সিরিয়াতে মোতায়েন করা প্রায় দুই হাজার সেনাকে ফিরে আনার সিদ্ধান্তের মধ্যে দিয়ে তিনি এতদিন ধরে কার্যকর থাকা মধ্যপ্রাচ্য নীতির ‘মূলোৎপাটনই’ করেছেন কার্যত।

সমালোচকরা মনে করেন, সেনা প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্তের কারণে সিরিয়ায় শান্তিপূর্ণ কোনও সমাধানে পৌঁছানোর কূটনৈতিক প্রক্রিয়া খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হবে।

কুর্দিদের বিরুদ্ধে তুরস্কের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। দেশটি কুর্দিদের সন্ত্রাসী মনে করে। তাদের দাবি ছিল, সিরিয়ায় কুর্দিদের সংগঠন ওয়াইপিজি আসলে তুরস্কে কুর্দিদের নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন পিকেকের শাখা। কুর্দি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত পিকেকে তুরস্ক, ইরান, ইরাক ও সিরিয়ার অংশবিশেষ নিয়ে কুর্দিস্তান নামক একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী।

পিকেকে তিন দশক ধরে তুরস্কের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত রয়েছে। ১৯৮৪ সাল থেকে এ বিদ্রোহে অন্তত ৪০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।(আরটিএনএন)

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন!
অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার নাম লিখুন!