একজন ‘সামান্য মেজর’ – অসামান্য এক জীবন:শিবলী সোহায়েল(অষ্ট্রেলিয়া)

[১]সামান্য মোজাঃ
“ৃযা হোক — বসে আছ।ি হঠাৎ পাশরে কক্ষ থকেে প্রসেডিন্টে জযি়া এবং তাঁর স্ত্রী বগেম খালদো জযি়ার কথোপকথনরে একাংশ কানে এলো। সবাই জাননে, বদিশেে গলেে সচরাচর তারাকোনো কনো–কাটা করতনে না। প্রয়োজন বোধে এক জোড়া মোজা সম্ভবত বগেম জযি়া কনিছেলিনে। বললনে, ‘এক জোড়া মোজার দাম দশেী টাকায় এক শতরেও বশে।ি এই দামে মোজা কনো যায়?আমার আর কছিু কনোর নইে ভাগ্যসি।‘ উত্তর এলো ‘এ দামে আমাদরে কনোর দরকারও নইে, সার্মথ্যও নইে। গরবি দশেরে নর্ধিন প্রসেডিন্টে। যখন দশেরে মানুষরে সঙ্গতি হব,ে প্রসেডিন্টেরেও হব।ে‘অপর দকিে সম্মতি সূচক নীরবতা।ৃ”
উপররে কথাগুলো এসছেে ইনাম আহমদে চৌধুরীর র্বণনায় তার লখো “ভাবনায় বাংলাদশে” বইটতি।ে এটা সম্ভবত ছলিো উনশিশ আশি সালরে কথা। ইনাম আহমদে চৌধুরী তখন লন্ডনবোংলাদশে দূতাবাসরে র্অথনতৈকি সচবি হসিবেে র্কমরত ছলিনে। সসেময় প্রসেডিন্টে জযি়া ব্রটিশি সরকাররে আমন্ত্রণে সরকারি এক সফরে সস্ত্রীক গয়িছেলিনে সখোন।ে
এভাবইে সাদামাটা জীবন যাপন করে এক ‘সামান্য মজের’ তাঁর অসামান্য জীবনরে ছাপ রখেে গয়িছেনে এদশেরে ইতহিাসরে পাতায় পাতায়। ‘সামান্য মজের’ কনে বলছ,ি সে কথায় একটু পরআেসছ।ি তার আগে আরো দু’একটি ঘটনা এখানে উল্লখে করবো।
সামান্য ঘড়ি ও পরবিারঃ
আওয়ামী লীগরে মন্ত্রী ইঞ্জনিয়িার মোশাররফ হোসনে তার ‘ফলেে আসা দনিগুল’ি বইয়ে জয়িাকে নয়িে স্মৃতচিারণ করতে গয়িে লখিছেনে –
“. .. অতীতরে অনকে কথাই মনে পড়ছ।ে আপনার (জয়িা) সাথে আমার অনকে স্মৃতি আছ,ে অনকে মলি আছ।ে আপনি যুদ্ধরে সময় যে ঘড়টিা ব্যবহার করতনে রাষ্ট্ররে র্সবোচ্চ ক্ষমতারঅধকিারী হয়ওে সে ঘড়টিা হাতে আছ।ে ৃৃ তখন যুদ্ধ করা, হানাদারদরে আঘাত করা, দশেরে স্বাধীনতা র্অজন করা ছাড়া অন্য কোন ব্যাপার আমাদরে মাথায় ছলি না। সে সময় ভাবীদরে কঅিবস্থা হব,ে তারা কোথায় থাকব,ে ভারতে চলে আসবে কনিা – এসব ব্যাপার নয়িে যখন কথা বলছলিনে তখন আমি আপনার সামনে ছলিাম। আপনি তাদরেকে বলছেলিনে – ‘তারা কোথায়থাকব,ে কি করবে সে বষিয়ে ভাববার অবকাশ নইে। তাদরেকে তাদরে মত করে সভে থাকতে বলো।‘ ৃ”
উপররে এ উক্তরি কোন ব্যাখ্যার প্রয়োজন নইে, তবে সামান্য দু’টো বষিয়রে মধ্যে দুইটি অসামান্য শক্ষিা আছ।ে এক, তনিি জানতনে রাষ্ট্রপ্রধানরে র্মযাদার সাথে বলিাসবহুল ঘড়ি বাপোশাক-পরচ্ছিদেরে কোন সর্ম্পক নইে। আর দ্বতিীয়টি হল দশেরে প্রয়োজনকে পরবিাররে উপরে স্থান দওেয়া। মুখে বলতে পারলওে বাস্তবে সবাই এ কাজ পারনো। আর তাই এই ছোট ছোট সামান্যকাজগুলোই তাকে আরও অসামান্য করে তুলছে।ে
এছাড়া পরবিাররে কথা যখন চলে এলো তখন তাঁর পরবিাররে আরকেটি বষিয় উল্লখে না করলইে নয়। দুই হাজার সতরেো সালরে নভম্বের মাসে উনার ছোট ভাই আহমদে কামাল নীরবে চলগেলেনে না ফরোর দশে।ে কোথাও তমেন কোন সাড়া শব্দ শুনতে পলোম না। পারবিারকি বন্দনার যুগে যখন একজন রাষ্ট্র প্রধানরে নাতপিুতরিাও রাষ্ট্রীয় খরচে নরিাপত্তা ও নানা সুযোগ সুবধিা ভোগকরে তখন একজন রাষ্ট্রপ্রধানরে আপন ভাই ছলিনে এতোটাই অপরচিতি!
সামান্য খাবারঃ
একজন রাষ্ট্রপ্রধান বলিাসবহুল জীবন যাপন করব,ে তার সঙ্গে একসাথে খাবার খয়েে এসে মানুষ সইে খাবাররে গল্প করবে জীবনভর, এমনটাই আমরা সবসময় দখেে আসছ।ি কন্তিু নচিরেদু’টো ঘটনা সর্ম্পূণ ভন্নি রকম। সাংবাদকি এ বি এম মূসার র্বণনায় আমরা দখেতে পাই –
“একটু পরে জয়িা গোসল করে এলনে। আমরা চারজন খতেে বসলাম। খাবাররে পরমিাণ ও রকম দখেে একটুখানি দুশ্চন্তিাও দখো দলি। বুঝলাম জয়িা অত্যন্ত স্বল্পাহারী, আমার ভাগ্যওের্অধাহার। তনিি এক কাপ স্যুপ, দু‘তনি চামচ ভাত, দু‘টুকরা মুরগরি গোস্ত, এক চামচ সবজী নলিনে। তাঁর দখোদখেি আকবর, দাউদ ও আমওি তাই নলিাম। জয়িা চয়েে দখেলনে, কছিু বললনে না, তবে মনে হল একটুখানি মুচকি হাসলনে।“
বশিষ্টি লখেকিা হলেনো খানরে র্বণনা থকেে আমরা জানতে পারি –
“রোজার মাস। ময়মনসংিহ র্সাকটি হাউসে তৎকালীন প্রসেডিন্টে জযি়াউর রহমানরে সাথে এফতারি করার দাওয়াতে স্বামীসহ আমি শরকি হই। শুধুমাত্র সামান্য কাঁচা ছোলা, আটার মোটা রুটি ওঘ–িবহিীন বুটরে ডালসহ গরুর গোশত অতি সাধারণ আয়োজন! শুনছেলিাম প্রসেডিন্টে সাহবে ব্যক্তগিত সব ব্যাপারইে স্বল্প ব্যয়রে পক্ষপাতী ছলিনে। তাঁৱ ইচ্ছাতইে সদেনিরে ইফতাররি ওইআয়োজন।“
এভাবে ছড়য়িে ছটিয়িে থাকা হাজারো অসংখ্য ঘটনা আছে যা একসাথে করলে একটি বই হতে পার।ে পরমিতি জীবনরে তথ্য ছাড়াও তাঁর সনোনায়ক হসিবেে ভূমকিা, মুক্তযিুদ্ধে অসম সাহসীপদক্ষপে, রাষ্ট্রনায়ক হসিবেে দশে পুর্নগঠনরে প্রচষ্টো ও পরকিল্পনা, কূটনতৈকি ও র্অথনতৈকি প্রজ্ঞা যকেোনো রাজনতৈকি নতো, সনোপ্রধান এবং প্রসেডিন্টে-প্রধানমন্ত্রীদরে জন্য শক্ষিণীয় হওয়ারকথা। কন্তিু দুঃখরে বষিয় এ সবই এখন সর্ম্পূণভাবে মুছে ফলোর জন্য পরকিল্পতি এবং সংগঠতি এক চষ্টো করা হচ্ছে বাংলাদশে।ে তাঁর অসামান্য কাজগুলোকে অস্বীকার করে তাকে এখন তুচ্ছতাচ্ছল্যিকরে বলা হচ্ছ,ে “সামান্য এক মজের”!
[২]
“সামান্য এক মজের” – কথাটি আজকাল প্রায়শ শুনতে পাওয়া যায়। এ মন্তব্য কি শুধুই তাকে ছোট করার জন্য? না কি এর গভীরে আরো অন্য কোন উদ্দশ্যে রয়ছে?ে কথাটি আমি প্রথমশুনি দুই হাজার দুই অথবা তনি সালরে দকি,ে সডিনীতে অনুষ্ঠতি এক সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান।ে সখোনে এক বক্তা সর্ম্পূণ অপ্রাসঙ্গকি ভাবে হঠাৎ করে চৎিকার করইে বলে উঠনে, “কোন একসামান্য মজের বাংলাদশেরে স্বাধীনতার ঘোষণা দয়িছেনে এটা মনেে নওেয়া সম্ভব নয়”। আমি মনে মনে ভাবলাম, উনি কি বলতে চাইছনে যে আরব থকেে “উঁচা-লম্বা-র্ফসা” কোন শায়খ অথবাভারতরে রাজবংশরে কউে স্বাধীনতার ঘোষণা দলিে উনার জন্য মনেে নওেয়া সহজ হতো? সামান্য মজেররে অসামান্য কাজ মনেে নতিে কি খুব কষ্ট হচ্ছ?ে
প্রথম দকিে আমি ভবেছেলিাম এটা রাজনতৈকি প্রতপিক্ষকে হয়ে করার একটা কৌশল মাত্র। কন্তিু কছিুদনি বষিয়টি একটু মনযোগ দয়িে লক্ষ করে দখোলাম এর সাথে আরো কছিু যুক্ত আছ।েশুধু তাকে খাটো করাই হচ্ছে না, বরং মুক্তযিুদ্ধে তাঁর অসামান্য ভূমকিাকে প্রশ্নবদ্ধি করে ধীরে ধীরে বর্তিকতি করে তোলার চষ্টো চালানো হচ্ছ।ে আর কাজটা জোরালো ভাবে শুরু হয়ছেে দুই হাজারনয় সালরে পর থকে।ে যদওি এর পরকিল্পনা হয়ছেলিো উনশিশ একাশি সালরে মে মাসরে দকি।ে মতউির রহমান রন্টেুর “আমার ফাঁসি চাই” বই থকেে জানা যায়, জয়িাউর রহমান বঁেচে থাকতপেরকিল্পনাটা ছলিো এরকম যে প্রচার করতে হবে “এই জয়িা স্বাধীনতার ঘোষক জয়িা নয়।” সইে পরকিল্পনারই ধারাবাহকিতায় আজকে তাকে পাকস্তিানী গোয়ন্দো সংস্থা আইএসআই এর গুপ্তচরও বলাহচ্ছ।ে কন্তিু কনে? শুধুই কি রাজনতৈকি প্রতহিংিসা? না, তা নয়। এই দৃশ্যপটরে ভতেরে আরও যে গভীর ষড়যন্ত্র আছে তা আমাদরেকে বুঝতে হব।ে
মুক্তযিুদ্ধরে সময় অথবা যুদ্ধ শষে হওয়ার পরপরই যদি তাঁর ভূমকিা নয়িে কোন প্রশ্ন উঠতো তাহলে তা ভন্নি বষিয় ছলিো। কন্তিু দখো যাচ্ছে সসেময় কোন বর্তিক তো দুররে কথা বরংস্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর বীরত্বর্পূণ ভূমকিাকে মূল্যায়ন করে সসেময় তাকে বীর উত্তম উপাধি দওেয়া হয়। এ নয়িে খুব বশেী র্তকরে দরকার পড়নো। মুক্তযিুদ্ধরে সময় তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপততিাজউদ্দীন আহমদরে বক্তব্য থকেইে এটা পরষ্কিার হয়ে যায়। স্বাধীন বাংলা বতোর কন্দ্রে থকেে ১১ এপ্রলি ১৯৭১ সালে তাজউদ্দীন আহমদ তাঁর বক্তব্যে বলছেলিনে –
“ৃ চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী অঞ্চলরে সমর পরচিালনার ভার পড়ছেে মজের জয়িাউর রহমানরে ওপর। নৌ, স্থল ও বমিান বাহনিীর আক্রমণরে মুখে চট্টগ্রাম শহরে যে প্রতরিোধব্যুহ গড়উেঠছেে এবং আমাদরে মুক্তবিাহনিী ও বীর চট্টলার ভাই–বোনরো যে সাহসকিতার সাথে শত্রুর মোকাবলো করছেনে, স্বাধীনতা সংগ্রামরে ইতহিাসে এই প্রতরিোধ স্ট্যালনিগ্রাদরে পাশে স্থান পাব।ে এইসাহসকিতার্পূণ প্রতরিোধরে জন্য চট্টগ্রাম আজও শত্রুর কবল–মুক্ত রয়ছে।ে চট্টগ্রাম শহররে কছিু অংশ ছাড়া চট্টগ্রাম ও সর্ম্পূণ নোয়াখালী জলোকে “মুক্ত এলাকা” বলে ঘোষণা করা হয়ছে।ে“
স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর সাহসী ভূমকিার কথা সামরকি-বসোমরকি অসংখ্য মুক্তযিোদ্ধার স্মৃততিইে উঠে এসছে।ে এখান থকেইে স্পষ্ট হয়ে উঠে এক সামান্য মজেররে অসামান্য অবদানরে কথা। তবে তাঁর বরিুদ্ধে প্রথম অপপ্রচার শুরু হয় স্বাধীনতার ঘোষণা নয়িে বর্তিক সৃষ্টরি মাধ্যম।ে একটু পছেন ফরিে এই বর্তিকরে ভত্তিটিাও একটু দখেে নইে।
বশিষ্টি কথাসাহত্যিকি, প্রাবন্ধকি এবং স্বাধীনতা সংগ্রামরে সময় নবগঠতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদশে সরকাররে দক্ষণি চট্টগ্রাম জলোর জলো প্রশাসক আবদুশ শাকুর তাঁর আত্মজীবনী “কাঁটাতগেোলাপও থাক”ে বইতে উল্লখে করছেনে –
“ৃহতাশায় নমিজ্জতি হয়ে টকিোজি থকেে পানি ঢলেে চা বানানোর নামে এটা সটো নাড়াচাড়াই করতে থাকলাম আনমন।ে এমনি সময় টবেলিরে ‘এগারো ব্যান্ড স্যানওি রডেওি’তে আচমকাশ্রুত হল সইে ঐতহিাসকি ঘোষণাঃ “আমি মজের জযি়া বলছ“ি। লাফ দযি়ে দাঁড়যি়ে গযি়ে দু‘জনে প্রাণভরে কোলাকুলি করলাম, যনে পুনরুজ্জীবতি দুই মৃত সনৈকি।“
র্কনলে (অবঃ) কাজী-নুর-উজ্জামান তাঁর “একাত্তররে মুক্তযিুদ্ধঃ একজন সক্টের কমান্ডাররে স্মৃতকিথা” গ্রন্থে লখিছেনে, “৭১–এ এপ্রলিরে শষে দকিে তাজউদ্দীনরে সঙ্গে আমি মজেরজললিরে নয় নম্বর সক্টের পরর্দিশনে গয়িছেলিাম। যাত্রী আমরা দুজনই ছলিাম। ৃ তাজউদ্দীন সাহবে আমাকে জজ্ঞিাসা করছেলিনে, ‘আপনি একজন অবসরপ্রাপ্ত মজের হয়ে কমেন করে কখনমুক্তযিুদ্ধে যোগদান করলনে?‘ জবাবে আমি জয়িাউর রহমানরে ঘোষণার কথা বল।ি জয়িা র্কতৃক নজিকেে প্রসেডিন্টে বলে পরচিয় দওেয়ার কথা উল্লখে কর।ি আমার জবাবে তনিি নরিুত্তর ছলিনেএবং অন্য প্রসঙ্গে চলে যান।
ৃজয়িাউর রহমানরে ঘোষণা শুনইে আমি ও আমার মতো হাজার হাজার সনো, ইপআির, পুলশি, আনসার বাহনিীর সদস্য প্ররেণা পয়েছেলি। জয়িা ছলিনে ইষ্ট বঙ্গেল রজেমিন্টেরেঅফসিার। তাঁর প্রসেডিন্টে পদরে দাবি করা আমাদরে মনে প্রভাব ফলেনে।ি তবে তার স্বাধীনতা ও মুক্তযিুদ্ধরে ডাক আমাদরে সকলকে অনুপ্রাণতি করছেলি।“
এ ব্যাপারে এমন আরও অসংখ্য তথ্য-প্রমাণ দওেয়া যতেে পার।ে তবে বষিয়টি এমন না যে এই তথ্যগুলো তাদরে কাছে নইে। এসব কছিু জানা থাকার পরওে তারা গোয়বেলসরে নীতঅিনুসরণ করে ধীরে ধীরে অপপ্রচার চালাচ্ছ।ে ঠকি যভোবে উনশিশ পঁচাশি সাল থকেে অপপ্রচার আরম্ভ করে তারা মওলানা দলেোয়ার হোসনে সাইদীকে দশেরে মানুষরে কাছে প্রচন্ড জনপ্রয়িতা স্বত্বওেএবং যুদ্ধরে সময় কোন ভূমকিা না থাকার পরওে যুদ্ধাপরাধী বানয়িে দয়িছে।ে
এ অপপ্রচারকে কবেলমাত্র সাধারণ রাজনতৈকি প্রোপাগান্ডা ভাবলে মারাত্মক ভুল হব।ে এই অপপ্রচার শুধুমাত্র রাজনতৈকি প্রতপিক্ষকে ঘায়লে করার উদ্দশ্যেে নয়। এর পছেনে রয়ছেে গভীরএক নীলনকশা, রয়ছেে আমাদরে জাতস্বিত্তাকে নশ্চিহ্নি করার ষড়যন্ত্র। বাংলাদশেী জাতস্বিত্তার স্থপতি ও নর্মিাতা শহীদ প্রসেডিন্টে জয়িাউর রহমান এ ষড়যন্ত্র সর্ম্পকে সচতেন ছলিনে এবং সবসময়সুকৌশলে তা প্রতহিত করছেলিনে। তাই আজ এই জাতরি নজিস্ব স্বাতন্ত্র্য ও র্সাবভৌম স্বত্তাকে ভুলয়িে দতিে হলে যে কোন ভাবইে হোক জয়িাউর রহমানরে আর্দশকে মুছে ফলেতে হব।ে
এই ষড়যন্ত্ররে ইঙ্গতি পাওয়া যায় উনশিশ সাতচল্লশি সালরে দশেভাগরে পরপরই। সসেময় সপ্টেম্বের মাসে বম্বতেে কংগ্রসেরে কন্দ্রেীয় র্কাযকরী পরষিদরে (ঈডঈ) এক সভায় সাতচল্লশিরেদশে বভিাগ নয়িে একটি রজেুলুশন গ্রহণ করা হয়। সইে রজেুলুশনে বলা হয়, “ডব যবৎবনু ফবপরফব ঃড় ধপপবঢ়ঃ ঃযব ঢ়ৎবংবহঃ ঢ়ধৎঃরঃরড়হ ভড়ৎ ঃযব ঃরসব নবরহম”। এখানে “ফর দটিাইম বংি” কথাটার মাধ্যমে আমাদরে প্রতবিশেীরা মূলত তাদরে উদ্দশ্যে সর্ম্পূণ পরষ্কিার করে দয়িছেলি। এবং এ সুদূরপ্রসারী উদ্দশ্যেরে অংশ হসিবেইে তারা একে একে হায়দারাবাদ, সকিমি ওকাশ্মীরকে গলিে ফলেছে।ে
আশার বষিয় হচ্ছে আমারা সকিমি নই, আমরা হায়দারাবাদ কংিবা কাশ্মীরও নই। সইে আদি যুগ থকেইে এ অঞ্চলরে মানুষ স্বাধীনচতো। এই অঞ্চলরে মানুষ রুখে দাঁড়য়িছেলি মহাপরাক্রমশালী মহারাজ আশোকার বরিুদ্ধ।ে তারা ঢুকতে দয়েনি দখলদার যুদ্ধবাজমানসংিহদরেক।ে ইংরজেদরে দুইশ বছররে শাসনকাল কটেছেে এই অঞ্চলরে ততিুমরি, ফকরি মজনু শাহ, নুরুলদনি বাকরে মোহাম্মদ জং এবং র্সুযসনেদরে বদ্রিোহ-সংগ্রাম দমন করার চষ্টোয়। র্উদুভাষী পাকস্তিানও পারনেি আমাদরে পদানত করত।ে সুতরাং দল্লিীওপারবনো। কারণ এই দশেে রয়ছেে শহীদ প্রসেডিন্টে জয়িাউর রহমানরে মতই সামান্য অনকে মানুষ যারা ফ্যাসবিাদরে মুখে দাঁড়য়িশেোষকরে রক্তচক্ষু উপক্ষো করে অসামান্য তীতক্ষিার সম্ভাবনা ও মহত্তম মুক্ত মানুষরে সাহসকে ধারণ করে বলে উঠতে পার,ে “উই রভিল্ট!”।
তথ্যসূত্রঃ
১। ইনাম আহমদে চৌধুরী, ভাবনায় বাংলাদশে, হাসি প্রকাশনী, মে ২০০৯, পৃঃ ১৪৯।
২। ইঞ্জ:ি মোশাররফ হোসনে, ফলেে আসা দনিগুল,ি তৃপ্তি প্রকাশ কুঠ,ি জুন ২০১১, পৃঃ ১৪৯-১৭২।
৩। এ বি এম মূসা, জয়িার র্দশন ও বাংলাদশে, সম্পাদনাঃ কাজী সরিাজ, অ্যার্ডন পাবলকিশেন, ফব্রেুয়ারি ২০০৪, পৃঃ ১৯-২৫।
৪। হলেনো খান, ঊষা থকেে গোধূলরি স্মৃত,ি মীরা প্রকাশন, র্মাচ ২০০৯, পৃঃ ২৬০।
৫। স্বাধীন বাংলা বতোর কন্দ্রে হতে ১১ এপ্রলি ১৯৭১ তারখিে প্রচারতি প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দনি আহমদরে ভাষণ।
৬। আবদুশ শাকুর, কাঁটাতে গোলাপও থাক,ে ঐতহ্যি, ফব্রেুয়ারি ২০০৮, পৃঃ ১৭৫-১৭৭।
৭। র্কনলে (অবঃ) কাজী-নুর-উজ্জামান, একাত্তররে মুক্তযিুদ্ধঃ একজন সক্টের কমান্ডাররে স্মৃতকিথা, অবসর প্রকাশনা সংস্থা, ফব্রেুয়ারী ২০০৯, পৃঃ ১৩-১৫।
শবিলী সোহায়লে -শক্ষিক ও গবষেক, র্চালস র্ষ্টাট ইউনভর্িাসটি,ি অষ্ট্রলেয়িা

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন!
অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার নাম লিখুন!