আজও মিলেনি খালেদা জিয়ার রায়ের কপি

আজও মিলেনি খালেদা জিয়ার রায়ের কপি

আজও মিলেনি খালেদা জিয়ার রায়ের কপি

 

 

 

 

 

 

আজও মিলেনি খালেদা জিয়ার রায়ের কপি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রায়ের কপি আজ বৃহস্পতিবারও পাওয়া যায়নি। আগামী রোববার রায়ের সার্টিফাইড কপি দেয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

আজ বুধবার বেলা ৫টা ৫৫ মিনিটে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া ও মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, আজ রায়ের কপি দেয়ার কথা ছিল। আমরা দীর্ঘ সময় ধরে রায়ের কপি পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করেছি। কিন্তু আদালত আমাদের জানিয়েছেন আজ আর রায়ের কপি দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। রোববার রায়ের কপি দেয়া হবে।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ৫ বছর ও দলটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অপর পাঁচ আসামির ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

উল্লেখ্য, গতকাল খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, বুধবার বিকেল ৪টায় বেগম খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের সার্টিফায়েড কপি দেয়ার কথা ছিল; কিন্তু আমরা আদালতে এসে জানতে পেরেছি বৃহস্পতিবার বেলা ২টার পর রায়ের কপি দেয়া হতে পারে। তিনি বলেন, আদালত থেকে জানিয়েছে জজ সাহেব রায়ে স্বাক্ষর করেছেন। এখন বাদবাকি টাইপ করে বৃহম্পতিবার খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের সার্টিফায়েড কপি দেবে। তিনি বলেন, কপি দেয়ার নোটিশ এসেছে, সই আছে, আমরাও দেখলাম।

সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, রায়ের সার্টিফায়েড কপি পাওয়ার পরই জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ের বিরুদ্ধে একই সাথে উচ্চ আদালতে আপিল ও জামিন আবেদন করা হবে।
খালেদা জিয়ার অপর আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ের কপি আদালতের নকল শাখায় পাঠানো হয়েছে। নকল শাখা থেকে আমাদের জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার বেলা ২টার পর রায়ের কপি সরবরাহ করা হবে।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়াকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালত এ রায় দেন। রায় ঘোষণার পরপরই বেগম খালেদা জিয়াকে আদালত থেকে গ্রেফতার করে পুরান ঢাকায় সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি এখনো ওই কারাগারে আছেন। এ মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও অপর চার আসামিকেও ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড হয়। খালেদা জিয়া ছাড়া অপর আসামিদের প্রত্যেককে দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন!
অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার নাম লিখুন!