অপ-সাংবাদিকতা ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা। মোঃ কামরুল ইসলাম।


সাংবাদিকতা একটি মহৎ পেশা তবে অন্যান্য পেশার চেয়ে এই পেশায় অনেকের মতে ঝুঁকি বেশি।এরপরও মজার ব্যাপারটা হচ্ছে এই পেশায় যারা থাকেন তাদের মজাটা যেন আলাদা। শত হাজার পেশার ভিড়ে এই পেশাটি একটু ব্যতিক্রম। আমাদের দেশে এখন শত শত পত্রিকা রয়েছে সাথে বাংলাদেশ টেলিভিশন বেতার ছাড়া ও বেসরকারী চ্যাটেলাইট চ্যানেল সহ অসংখ্য অন-লাইন নিউজ পোর্টাল রয়েছে যার প্রকৃত সংখ্যা অন্তত আমার জানা নেই।আজকের সাংবাদিকতা পেশাকে অনেকে বাঁকা চোখে দেখেন এর মুল কারন অপ-সাংবাদিকতা বা হলুদ সাংবাদিকতা। অনেকের মুখে শুনা যায় বা অনেকে রসিকতা করে বলেন সাংবাদিক মানে সাংঘাতিক।আজকের দিনে যারা সাংবাদিকতা করেন তাদের মধ্যে কোন্দল, দলাদলি হানাহানি,প্রতিহিংসার ব্যাপারটি খুব সহজে কাজ করে।তাহাছাড়া একটি সাংবাদিক সংগঠনের সাথে আরেক টি সংগঠনের কোন্দল প্রায় লেগে থাকে যা কখনও কাম্য নয়। সাংবাদিকরা হলো জাতির বিবেক। সেই সাংবাদিকরা আজকে আত্ম সমালোচনা করতে ভুলে গেছে।শুধু তাই নয় সাংবাদিক সহ সকল পেশার লোকজন আজ আত্ম সমালোচনা করে না। সাংবাদিকরা যেহেতু জাতির বিবেক তাই তাদেরকে সর্বপ্রথম আত্মসমালোচনা করা শিখতে হবে।জ্ঞান চর্চা করতে হবে গবেষণা করতে হবে,মানুষের কল্যানের কথা সবার আগে তাদের ভাবতে হবে।দুঃখজনক হলে ও সত্য প্রকৃত জ্ঞান অর্জন না করে সুশিক্ষায় উচ্চ শিক্ষিত না হয়ে সাংবাদিকতার সংজ্ঞা না জেনে সবাই যেন আজ সাংবাদিক।সামান্য অর্থ ব্যয় করে বা কোন কোন সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে নিজকে সাংবাদিক বা সাংবাদিক নেতা ভাবতে অনেকে নিজকে গর্ববোধ করে।মনে রাখা ভাল,সাংবাদিকতা সহ যে কোন পেশার ক্ষেত্রে শুদ্ধতা হচ্ছে ঐ পেশার প্রধান অঙ্গ।অনেকের মতে আজ সবর্ত্র চলছে অপ-সাংবাদিকতা যেখানে থাকার কথা ছিল পবিত্র শুদ্ধতা তার মধ্যে নীরবে ঘুরপাক খাচ্ছে অপ- সাংবাদিকতা আর চলছে মহা দুর্নীতি বা অনেকের মতে হলুদ সাংবাদিকতা।কেননা অপ-সাংবাদিকতার মধ্যে অর্থ বানিজ্য নিহিত থাকে।সাংবাদিকতার নামে অনেকে আজ করছে ভন্ডামী চলছে অসুস্হ প্রতিযোগীতা।যার ফলে অনেকে সাংবাদিক,সাংবাদিকতা নিয়ে তিরস্কার করে থাকেন
যা কখনও কাম্য নয়।
ভোগবাদী এই সমাজ ব্যবস্থায় সবাই যেন ভোগ করতে উঠেপড়ে লেগেছে,সবাইকে ভোগ করতেই হবে এই মানসিকতা কাজ করছে।আজ দেশীয় সংবাদপত্রের গতানুগতিক যে ধারা বহমান তা থেকে বেরিয়ে সংবাদ কাঠামোর নতুন ধারা সৃষ্টি করার ইচ্ছা থাকলে তা যেন অসম্ভব হয়ে পড়ছে তার কারন অল্প শিক্ষিত,দূনীতি গ্রস্হ লোকজন এই দেশের সংবাদপত্রে পুনর্বাসিত হয়েছেন।
অর্থের বিনিময়ে বা স্বজনপ্রীতির কারনে অন -লাইন ও স্যাটেলাইট টিভিগুলোর টকশোতে প্রতিনিয়ত দু্নীতি- গ্রস্হ,অসৎ লোকদের ভীড় মুলত এক ধরনের হলুদ সাংবাদিকতা বলে অনেকে মনে করেন। দুর্নীতিগ্রস্তদের ভালো কণ্ঠস্বর আবার তার পক্ষে আাড়ালে তার বয়ান লিখে দেন যারা অর্থের বিনিময়ে কোন জ্ঞানী আর সেই বয়ান নীরবে দর্শকদের দেখতেও হয় শুনতে হয় যা জাতির বিবেককে নাড়া দেয়।যখন কোন সাংবাদিক প্রতিষ্ঠান-নামে মাত্র একজন সংবাদ দাতা /প্রতিনিধি কে তার পারিশ্রমিক দেয় আর তাকে বলা হয় বাকিটা মাঠ পর্যায় থেকে সংগ্রহ করতে হবে আরো কত কি তখন সাংবাদিকতা অপ- সাংবাদিকতা রূপ নেয়।এখন পত্রিকা প্রকাশ কে অনেকে ব্যবসা হিসাবে মনে করেন কারন যারা প্রকাশক /সম্পাদক তারা অপ-সাংবাদিক -তার মাধ্যমে বিশাল ধনসম্পদের মালিক সহজে বনে যান বলে অনেকের ধারনা। যদিও এমন হওয়ার কথা ছিল না।অনেকে সচিব থেকে শুরু করে বিভিন্ন কর্তা ব্যক্তির সাথে সখ্যতা সেই সুবাদে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা এবং বিভিন্ন শিল্প গোষ্ঠীর শীর্ষ কর্ম কর্তাদের থেকে সু্বিদা আদায়,বিনিময়ে তাদেরকে বিভিন্ন অপকর্মে সহযোগিতা, নিয়োগ-চাকরি,পদোন্নতি বদলি, তহবিল সংগ্রহসহ নানা বাণিজ্যে সহ আরও অনেক না বিষয়ে জড়িয়ে থাকেন।
আবার সেই অপ-সাংবাদিকতার সাংবাদিক মহোদয় গন রাষ্ট্র সমাজে সবর্ত্র বিচরন করেন মহাদাপড়ের সাথে যা প্রকৃত সাংবাদিকতার মধ্যে পড়ে না বলে বিশেষজ্ঞগন মনে করেন।
এরপরও সংবাদিকতা পেশাকে মানুষ আজও অত্যন্ত শ্রদ্ধার চোখে দেখে। এ পেশার লোকজনকে অনেকেই জাতির বিবেক বলে থাকেন। ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকতার সাবলীল মূল্যায়ন হয়ে থাকে যা হওয়া স্বাভাবিক।।শুধু দেশ,জাতি নয়,বিশ্ব উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারেও সাংবাদিকদের অগ্রণী ভূমিকা দেশে দেশে আজ স্বীকৃত। সাধারণ জনগণের এ মহান পেশার প্রতি প্রগাঢ় আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। কারণ এ সমাজের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরবারির ন্যায় কলমের শানিত অস্ত্র একমাত্র সাংবাদিকরাই ধরে থাকেন। বিভিন্ন ধরনের ঘটনা প্রবাহের সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি প্রকাশিত পত্রিকা বা বর্তমান সময়ে অন-লাইন নিউজ পোর্টালের মাধ্যমে দেশের বর্তমান অবস্থা ও সাধারন জনগনের করণীয় কি সেই বিষয়ে ও সাংবাদিকরা তাদের মতামত ওদিক-নির্দেশনা দিয়ে থাকেন।
সাংবাদিকরা মানবতার অতন্দ্র প্রহরী হিসাবেও কাজ করেন। সাংবাদিকরা দেশ ও জাতির শেষ ভরসা স্হল।সেই ক্ষেত্রে কোন সাংবাদিক যদি মুর্খ বা অর্ধশিক্ষিত হয় বা জ্ঞান চর্চা না করে দিনে দিনে সাংবাদিক নেতা বনে যান বা বিভিন্ন অপকর্ম বা অপ-সাংবাদিকতা জড়িত হন তখন সেই জাতি হয় বড়ই দূর্ভাগা।এই ক্ষেত্রে সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক যে নেই তা কিন্তু নয়।আজ কোন না কোন সাংবাদিক ব্যক্তিগত,রাজনৈতিক বিবেচনায়, অহংকার কিংবা প্রলোভনের কারণে সাংবাদিকতার নীতিমালা এবং কর্তব্যবোধ বিসর্জন দিচ্ছে যা জাতির জন্য দুর্ভাগ্য। সাংবাদিকতারএ মহান পেশা ক্রমান্বয়ে আজ কলুষিত হয়ে আসছে অশিক্ষিত মুর্খ কোন না কোন পত্রিকার রিপোর্টার বা যেনতেন ভাবে কোন সাংবাদিক সংগঠনের মাধ্যমে সাংবাদিক কার্ড ব্যবহার করে তার অপ-ব্যবহার করছে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের স্বাধীনতার নামে এক ধরনের অপ-সাংবাদিকতার প্রয়োগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অর্থলোভী,স্বার্থান্বেষীদের বিচরণ দেখা যাচ্ছে আজ সংবাদপত্রের মত মননশীল কর্মচর্চায়।ব্যাখ্যার স্থলে অপব্যাখ্যা, ন্যায়কে অন্যায়ের রূপ দান,সত্যকে ঢাকার জন্যে অসত্যের আবরণ মানে অপ– সাংবাদিকতা সংবাদ লেখার যোগ্যতা নেই অথচ সাংবাদিক। সম্পাদনা করার মেধা নেই অথচ সম্পাদক এ হচ্ছে সংবাদপত্র জগতের একটি ভয়ংকর চিত্র। এগুলো থেকে অপসাংবাদিকতা বিস্তার লাভ করেছে চারদিকে। আর এই অপসাংবাদিকতার বিকৃত আরেক টি প্রচলিত শব্দ হচ্ছে হলুদ সাংবাদিকতা।
হলুদ সাংবাদিকতা কোন সাংবাদিকতা নয়।তাই হলুদ সাংবাদিকতা একটি বিকৃতি ও সাংবাদিকতার অপব্যবহার।হলুদ সাংবাদিকতার জন্য দায়ী মূলতঃ এক শ্রেণীর সাংবাদিক ও সংবাদপত্র। তবে এর সাথে রয়েছে দেশ ও সমাজের সার্বিক অবক্ষয় ।
এদের কারণেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাংবাদিক মাত্রই সাধারণ মানুষের কাছে পরিণত হয়েছে এক ভীতিকর প্রাণীতে। কারণ হচ্ছে লেখার স্বাধীনতার সুবাদে এরা ন্যূনতম বিধি-বিধান আর নীতি-জ্ঞানকে তোয়াক্কা না করে রাতকে দিন আর দিনকে রাত করে সংবাদ পরিবেশন করে।সত্যকে গোপন করে মিথ্যাকে ফুলিয়ে রং লাগিয়ে প্রচার করাটা সাংবাদিকতার কোন স্তরে পড়ে না।সংবাদ পরিবেশনায় তিলকে তাল বানানোর কৌশল অবশ্যই সচেতন পাঠক সমাজ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করবে এটা স্বাভাবিক ।
অনেক সময় সাংবাদিকতার লেবাস পরে অনেকে কত যে নীচতা, হীনতা, দীনতা আর সংকীর্ণতায় আকন্ঠ নিমজ্জিত থাকে তা বলতেও যেন লজ্জা হয়। একজন সাংবাদিক যদি এটা ভাবেন আমি সাংবাদিক, আমার হাতে কলম আছে, কাগজ আছে, তাই যা খুশি লিখবো, সবার মাথা আমি কিনে নিয়েছি এমন ভাবা সাংবাদিকতা নয়।
আমার,আপনার লেখার স্বাধীনতা মানে অন্যের অধিকার,সামাজিক অবস্থান, মান-সম্মানকে উপেক্ষা করা নয়। সংবাদপত্রের যেই স্বাধীনতা মানুষের সকল স্বার্থের পাহারাদার, তার সকল অধিকারের নিশ্চয়তা বিধানকারী এবং অসহায়ের শেষ কন্ঠ, সেই পবিত্র স্বাধীনতাকে আজ ‘ভেড়ায় ক্ষেত খাওয়ার’ মতো মর্মান্তিক ভূমিকার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।ফলে অনেকে সামাজিক রাজনৈতিক বা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।দেখা যাচ্ছে, যেসব অভিযোগ উত্থাপন করা হচ্ছে তা সংবাদপত্রগুলো কোন কোন ক্ষেত্রে প্রমাণ করতে পারছে না।অনেকে বলছেন, সাংবাদিক কিংবা সংবাদপত্রের মালিক সহ সংবাদ পত্রের যে স্বাধীনতা রয়েছে, সে সুযোগের অপব্যবহার হচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য আমাদের দেশের সংবাদ পত্র সম্পর্কে, মানুষের বিশ্বাস ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।
যে সব সাংবাদপত্র এ ধরনের মিথ্যা, বানোয়াট কিংবা উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ পরিবেশন করে তারা প্রচলিত আইন-কানুন, সংবিধান এক কথায় সমগ্র দেশ ও জাতির প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করছেন বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন।
এই প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ সুরা হুজরাতের ৬ নংআয়াতে বলেন,“হে মুমিনগণ,যদি কোন পাপাচারী তোমাদের নিকট কোন বার্তা নিয়ে আসে,তোমরা তা পরীক্ষা করে দেখবে; যাতে অজ্ঞতাবশত তোমরা কোন সম্প্রদায়ের ক্ষতি সাধনে প্রবৃত্ত না হও এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্যে অনুতপ্ত না হও।
এখানে যে কোন খবরের উৎসকে আল্লাহ দুই ভাগে ভাগ করে দেখিয়েছেন।বিশ্বস্ত উৎস ও অবিশ্বস্ত উৎস। পাপাচারী অর্থাৎ অসৎ,দুর্নীতিবাজ ও দুষ্ককর্মকারীদের উৎস অবিশ্বস্ত। এদের উৎস থেকে আশা সংবাদকে যাচাই করতে বলা হয়েছে।যেহেতু, উৎসের ভালো-মন্দ জানা সব সময় সম্ভব নয়, তাই যাচাই-বাছাই ছাড়া সংবাদ পরিবেশনকে নিষেধ করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই না করে যে কোন সংবাদ প্রচারের কুফল সম্পর্কে হাদিছে ও বলা হয়েছে ‘মানুষ মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য ইহাই যথেষ্ট যে সে যাহা শুনে যাচাই না করিয়া তাহাই প্রচার করে দেয়। (বুখারী ও মুসলিম)প্রকৃত দোষী নয়, এমন ব্যক্তিও অনেক সময় দোষী সাব্যস্ত হয়ে যায়।
যা খুবই জঘন্যতম অপরাধ কেননা বিনা অপরাধে মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীরা কস্ট পায় তখন তারা মিথ্যা অপবাদ ও পাপের বোঝা বহন করে। (সূরা আহযাব-৫৮) এবং হাদীসে বলা হয়েছে ‘প্রকৃত মুসলমান সেই ব্যক্তি যাহার মুখ ও হাত হইতে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে (বুখারী ও মুসলিম)।আরো বলা হয়েছে ‘কোন ব্যক্তির গুণাহগার হবার জন্য এতো টুকুই যথেষ্ট যে, সে তার মুসলিম ভাইকে তুচ্ছজ্ঞান করে (মুসলিম) এবং শুধু কেবল অনুমানের ভিত্তিতে কথা বলা এবং ঐ বিষয়ে কোন কিছু লেখা ও ধর্মে নিষেধ রয়েছে। কারণ অনুমান হচ্ছে জঘন্যতম মিথ্যা (বুখারী ও মুসলিম)।আরো বলা হয়েছে “তারা যেনো সে দিনটির কথা ভুলে না যায়, যখন তাদের নিজেদের জিহ্বা, নিজেদের হাত ও পা তাদের (দুনিয়ার) ক্রিয়া-কর্মের সাক্ষ্য প্রদান করবে (সুরা আন নূর-২৪ আয়াত)”। এবং সেদিন অপরাধীদের অগ্নিকুন্ডের দিকে ঠেলে দেওয়া হবে এবং ওদের বিন্যস্ত করা হবে বিভিন্ন দলে। তারা যখন জাহান্নামের কাছে পৌঁছবে, তখন তাদের কান, চক্ষু ও চামড়া তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে সাক্ষ্য দিবে। (সূরা হামীম সেজদা ১৯,২০,২১ আয়াত)
কাজেই প্রত্যেক সাংবাদিকদের যে কোন সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে আরো অনেক বেশি যত্নশীল হতে হবে বিভিন্ন অপকর্ম থেকে দুরে থাকতে হবে,প্রকৃত জ্ঞান চর্চা করতে হবে।
অল্প শিক্ষিত বা অর্ধশিক্ষিত লোক যাতে এই পেশা না জড়ান তার জন্য একটি নীতি মালা সহ দিক নির্দেশনা না থাকলে এই পেশা সব সময় বিতর্কিত হতে থাকবে। জাতির বিবেক এই পেশার ঐতিহ্য ও গুনগত মান ধরে রাখার জন্য আরো বাস্তবমুখী নীতি মালা সহ সাংবাদিকদের অপ-সাংবাদিকতা থেকে দুরে থেকে গন মানুষের আস্হা অর্জন করতে হবে।
সেইটি হবে জাতির বিবেকের একমাত্র কাজ।
লেখক- গনমাধ্যমকর্মী।

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন!
অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার নাম লিখুন!