ফ্রান্স প্রবাসী শামীমা আক্তার রুবী মহিলাদলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদিকা মনোনীত

ফ্রান্স প্রবাসী শামীমা আক্তার রুবী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন। কর্মজীবনের শত ব্যস্ততা সত্ত্বেও সংসার ছেলেমেয়ে ব্যবসা রেখে দলের পিছনে ছুটেছেন| শত কমর্ব্যস্ততা সত্ত্বেও দলের হয়ে পত্রিকায় আর্টিক্যাল লিখা ছাড়েন নি | পদপদবীকে কখনো বড় করে দেখেন নি | ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতি নিয়ে ভাবতেন তিনি এবং পরবতীতে তাই করেছেন। মুরাদনগর থানার চাপিতলা গ্রামের একজন কৃতি সন্তান। ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অত্যন্ত ব্রিলিয়েন্ট স্টুডেন্ট হিসাবে স্কুল কলেজ তথা বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ সুনাম অর্জন করেছেন। বিতর্ক প্রতিযোগীতা, উপস্হিত বক্তৃতা কবিতা আবৃতি, গজলে কোথাও জীবনে দ্বিতীয় হন নি। সেই ১৯৯০ থেকে তার রাজনীতির পথ চলা। ১৯৯৬ সালে কোম্পানিগন্জ বদিউল আলম কলেজের ছাত্র সংসদের ছাত্রদলের প্যানেলে ইমন আবির হাবীব ( ব্যালট -১) পরিষদের মহিলা সম্পাদিকা পদে নির্বাচিত হন এবং ছাত্রদলের প্রতিনিধি হয়ে কাজ করতে থাকেন। কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে যথেষ্ট সুনামের অধিকারি ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্হ্য অর্থনীতিতে পড়াশুনা করেন পরবর্তীতে ২০০১ সালে উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য ফ্রান্সে আসেন। তিনি ২০০১ থেকে ফ্রান্সে বসবাস করেন। ফ্রান্স সহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সঙ্গে থেকে তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। শামীমা আক্তার রুবী বলেন, “দল আমাকে মূল্যায়ন করেছেন এবং আমার উপর অর্পিত দ্বায়িত্ব ফ্রান্স সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করে যাবো”। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য ইউরোপ থেকে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ইউরোপের বিভিন্ন দেশের আন্দোলন সংগ্রামে নিজেকে গুটিয়ে রাখেন নি। বৈরী পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন এবং লন্ডন, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ড, জার্মান, ন্যাদারল্যান্ড ফ্রান্স, জাপান সহ দেশ থেকে দেশান্তরে আন্দোলন সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়েছেন। জিয়ার আদর্শকে হৃদয়ে ধারন করে এখনো এই জাতীয়তাবাদী পরিবারের সাথে আছেন শত অসুস্হ্যতা ও তাকে এই বিএনপির কার্যক্রম থেকে বিরত রাখতে পারেনি। পত্রিকায় কলাম লেখা আর দলের জন্য অনলাইন এক্টিভিস্ট হিসাবে কঠিন পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন এবং ফ্রান্স বিএনপির সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছেন। দলের অঙ্গ সংগঠনের সাথে সব প্রোগ্রামে কাজ করেছেন। অবশেষে জাতীয়তাবাদী নাগরিক মুক্তি পরিষদ এই সংগঠনটি নিয়ে কাজ করেছেন। তিনি আরো বলেন, আজ দল আমার মতো এতো নগন্য একজন জিয়ার সৈনিক কে মূল্যায়ন করেছেন কেন্দ্রীয় মহিলা দলের নির্বাহি কমিটিতে আমাকে স্হান দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদিকা হিসাবে নির্বাচিত করেছেন তার জন্য আমি কৃতজ্ঞতার সাথে ধন্যবাদ জানাতে চাই দলের চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ার তারেক রহমান, দলের মহাসচিব জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং নবগঠিত জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নির্বাহী কমিটির সংগ্রামী সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস ও সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ কে। আজ আমি এই জিয়া পরিবারের একজন এবং শহীদ জিয়ার গর্বিত সূর্য সৈনিক। তাই গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মহান ব্রতিতে বলিয়ান হয়ে এ যুগের আব্রাহাম লিংকন তারেক রহমান কে আগামী বাংলাদেশের রাষ্ট্রনায়ক হিসাবে পাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে দেশের গনতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করে দেশে সুবিচার ও আইনের সুশাষন প্রতিষ্ঠা করতে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার ও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অবশেষে তিনি সকলের নিকট দোয়া প্রার্থনা করেন এবং দলের কাছে পরম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জাতীয়তাবাদী পরিবারের, জিয়া পরিবারের একজন আদর্শ সৈনিক হয়ে দলের সকল আনুগত্য থেকে যে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন তা যেন সততা এবং নিষ্ঠার সাথে পালন করতে পারেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নির্দেশে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ২৬৫ সদস্য বিশিষ্ট পুর্নাঙ্গ কমিটির অনুমোদন করেন। নবগঠিত কমিটির সভাপতি আফরোজা আব্বাস , সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ।

প্রেসবিজ্ঞপ্তি

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন!
অনুগ্রহ করিয়া এখানে আপনার নাম লিখুন!